চুয়াডাঙ্গায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪৩ এএম

চুয়াডাঙ্গায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মত কুয়াশা ঝরছে। হিম শীতল বাতাস ও কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা হ্রাস পেয়েছে। অতিরিক্ত ঠান্ডায় খেটে খাওয়া ছিন্নমূল ও নিম্নআয়ের মানুষগুলো অসহায় হয়ে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জেলায় তাপমাত্রা আরও কমবে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।

এর আগে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড করা হয়েছিল ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ দিকে সড়কের পাশে সাধারণ মানুষ পথচারী শীত থেকে বাঁচতে খরকুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা নেয়ার চেষ্টা করছেন। ভোর থেকেই মানুষের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। 

পেটের তাগিদে বাইরে বের হওয়া মানুষগুলো এক রকম অসহায় হয়ে পড়েছেন। সড়কের যানবাহন চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। ঘন কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা নেই বললেই চলে। ঘন কুয়াশার কারণে বোরো বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে ব্যাহত হতে পারে চাষাবাদ কার্যক্রম।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসের কারণে জনজীবনে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। আজ সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সন্ধ্যার পর থেকে তাপমাত্রা কমে আসায় বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে। শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। বারান্দা ও মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে এই ঠান্ডার ভেতর।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে শিশু কনসালটেন্ট ডা. মাহবুবুর রহমান মিলন জানান, অতিরিক্ত শীতের কারণে শিশুরা বেশি ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপরও চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রয়েছে।

SN
আরও পড়ুন