সরকার নির্ধারিত দামে সার পাচ্ছেন রামুর কৃষকেরা

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৯ পিএম

দেশের বিভিন্ন এলাকায় সার সংকটের খবর পাওয়া গেলেও কক্সবাজারের রামু উপজেলায় পর্যাপ্ত সার মজুদ রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি ও ডিএপি সার সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। চাহিদামতো সার পাওয়ায় স্বস্তিতে রয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন সরেজমিনে ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কৃষিকাজের প্রয়োজনীয় সার তারা বিসিআইসি সার ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্যে সংগ্রহ করতে পারছেন।

ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের লামারপাড়া এলাকার কৃষক ফজলুল্লাহ বলেন, জমিতে ব্যবহারের জন্য ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি ও ডিএপি সারের প্রয়োজন হয়। এসব সার চাহিদামতো পাওয়া যাচ্ছে। ফলে কৃষিকাজে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।

রামু উপজেলা খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাওলানা নুরুল হোছাইন বলেন, সংশ্লিষ্ট বিসিআইসি সার ডিলার মেসার্স আলম ট্রেডার্স থেকে সরকার নির্ধারিত বরাদ্দ অনুযায়ী প্রতি মাসে সার উত্তোলন করা হয়। পরে নির্ধারিত মূল্যে তা প্রান্তিক কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে।

চাকমারকুল ইউনিয়ন পরিষদের এমইউপি সদস্য নুরুল আমিন বলেন, তিনি নিজেও কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত। বিসিআইসি সার ডিলারের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে চাহিদামতো সার পাচ্ছেন। তার ইউনিয়নে বর্তমানে সারের কোনো সংকট নেই।

রামু উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সুশান্ত দেব নাথ শুভ বলেন, রামুতে সারের সংকট নেই বললেই চলে। কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সার সহজেই পাওয়া যাচ্ছে। খুচরা বিক্রেতাদের নিয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা করা হয়েছে। কৃষি অফিস নিয়মিত বাজার ও সার বিক্রির কার্যক্রম তদারকি করছে, যাতে কৃষকেরা নির্ধারিত মূল্যে সার পান।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে নিয়মিত মজুদ ও বিক্রয় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে যাতে সার বিক্রি না হয়, সে বিষয়েও নজরদারি করা হচ্ছে।

এমসিএইচ
আরও পড়ুন