চুয়াডাঙ্গায় প্রতিদিন দেড় থেকে দুই ডিগ্রি তাপমাত্রা হ্রাস পাচ্ছে। সোমবার (৫ ডিসেম্বর) গোটা জেলায় মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে গেলেও মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) মাঝারি শৈত্য প্রবাহ শুরু হয়েছে। এ কারণে জনজীবনে অস্বস্তি অবস্থা বিরাজ করছে। সকাল থেকে আকাশ রয়েছে মেঘাচ্ছন্ন। কুয়াশা না থাকলে রয়েছে শীতের তীব্রতা।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল ৯ টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। এ মৌসুমে এটা চুয়াডাঙ্গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আরও দুই একদিন তাপমাত্রা একই ধরনের থাকতে পারে বলে তিনি জানান।
তাপমাত্রা দ্রুত কমে যাওয়ায় মানুষের দূর্ভোগ বেড়ে গেছে। ঠান্ডা বাতাস, ঘন কুয়াশা আর মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে চুয়াডাঙ্গায় তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষগুলো শীতের তীব্রতার কাছে এক রকম অসহায় হয়ে পড়েছে। জেলায় ৪ দিন ধরে সূর্যের দেখা নেই। সড়কে মানুষের চলাচল তেমন একটা নেয়। খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা নেয়ার চেষ্টা করছে সাধারণ মানুষ। সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোতে শীত জনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
গত সোমবার (৫ ডিসেম্বর) দিনগত রাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চুয়াডাঙ্গা শহরের বড়বাজার ব্রিজের পাশের জনবসতি, সি এ্যান্ড বি রজনীগন্ধা পাড়া ও জেলা পরিষদের পিছনে অবস্হিত জনবসতির মানুষের মাঝে প্রায় ২০০ কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব ও সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, সহকারী কমিশনার (সংস্হাপন) ফাহাদ চৌধুরী, সহকারী কমিশনার (মিডিয়া সেল) আবদুল্লাহ আল নাঈম ও সহকারী কমিশনার (প্রবাসী কল্যাণ শাখা) মির্জা শহিদুল ইসলাম।
শীতে কাঁপছে পঞ্চগড়, ৮ ডিগ্রির ঘরে তাপমাত্রা