পঞ্চগড়ে আবারও বইছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, স্থবির জনজীবন

আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:১৪ এএম

পঞ্চগড়ে আবারও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বইছে, ফলে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে; কনকনে হাড় কাঁপানো শীত ও ঘন কুয়াশার সঙ্গে হিমেল হাওয়ায় তাপমাত্রা নেমেছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে। 

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ১০০ শতাংশ ছিল। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮-১০ কিলোমিটার ছিল। 

এর আগে, বুধবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যেবক্ষণাগার সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন থেকে জেলায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো কুয়াশার ঝরার পর থেকে তাপমাত্রার পারদ ক্রমেই নিচে নামতে থাকে। এতে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। আজকে তা আরও কমে ৭ ডিগ্রির ঘরে নেমে গেছে। তাপমাত্রার পারদ কমে যাওয়ার পাশাপাশি ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা বাড়িয়েছে কয়েকগুণ। মাঘের এই শীতের তীব্রতায় নাকাল সাধারণ মানুষ। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ছিন্নমূল ও নিম্নআয়ের মানুষ।

সকালে জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কনকনে ঠান্ডায় মানুষ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া খুব একটা বাইরে বের হননি। বিভিন্ন মোড়ে ও চায়ের দোকানের পাশে শীত নিবারণের জন্য আগুন জ্বালিয়ে উত্তাপ নিচ্ছেন শীতার্ত মানুষ। হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। শিশু ও বৃদ্ধরা এ শীতে সবচেয়ে বেশি অসুস্থ হচ্ছেন।

শ্রমজীবি শরিফুল বলেন, গত কয়েকদিন ধরে ভোরে প্রচণ্ড হিমশীতল বাতাস ও কনকনে শীতের মধ্যেই চা বাগানে পাতা তুলতে এসে হাত-পা অবশ হয়ে আসছে। কিন্তু কী করবো, জীবিকার তাগিদে কাজ করতে হচ্ছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যেবক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, আজকে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় মাঝারি শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এসময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ১০০ শতাংশ ছিল। গত কয়েকদিন ধরে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে এখানে। হিমালয়ের নিকটবর্তী হওয়ায় এখানে শীতের তীব্রতা একটু বেশি হয়ে থাকে। সামনের দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

AHA
আরও পড়ুন