সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে একটি তালাবদ্ধ বসতঘর থেকে চার দিন পর আছিয়া বেগম নামের এক বৃদ্ধা নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে জগন্নাথপুর পৌরসভার ইনাতনগর এলাকা থেকে ওই বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সুনামগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মৃতা ইনাতনগরের মৃত খালিক মিয়ার স্ত্রী। এদিকে ঘরের দরজা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ থাকা এবং ভেতর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ানোর পর চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার পর থেকে ওই বৃদ্ধা আছিয়া বেগম বাড়িতে একা থাকতেন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) চিকিৎসার জন্য জেলা শহর সুনামগঞ্জে যান আছিয়া বেগম। এর পর থেকে তার সঙ্গে স্বজনদের কারো যোগাযোগ হয়নি। সোমবার রাতে স্থানীয়রা ওই তালাবদ্ধ ঘরটির পাশ দিয়ে যাতায়াতের সময় পচা দুর্গন্ধ পেয়ে থানয় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে খাটের ওপর কম্বল গায়ে অর্ধ-গলিত অবস্থায় ওই বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করে।
ওই বৃদ্ধা আছিয়া বেগমের মেয়ে কল্পনা বেগম বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে মায়ের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি। একাধিক বার মোবাইলে ফোন করেও উনাকে পাইনি। তিনি বাড়িতে একাই থাকতেন।
কল্পনার স্বামী দিলশাদ মিয়া বলেন, আমার শ্বাশুড়ির সঙ্গে কারো কোনো শত্রুতা ছিল না। তবে ওনার কাছে চিকিৎসার জন্য নগদ ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা ছিল। আমাদের ধারণা ওই টাকার জন্য তাকে হত্যা করা হয়েছে এবং ঘরটি বাইরে থেকে তালা দেওয়া হয়।
জগন্নাথপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ওই নারীর দেহের বেশকিছু অংশ পচে গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য আজ সকালে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মুলাদীতে ইয়াবাসহ ২ যুবক গ্রেপ্তার
মেসির বিদায়ে স্ত্রীর আবেগঘন চিঠি