সিলেটের বিশ্বনাথে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে এ আদেশ কার্যকর হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদ বিন কাসেম স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশ্বনাথ পৌরসভার কলেজ রোডের ডাকবাংলো ও আশপাশের এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে লাঠি বা অস্ত্র বহন এবং পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির গণজমায়েতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আদেশ কার্যকরের লক্ষ্যে বুধবার রাত থেকেই পৌর শহরে মাইকিং করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল থেকে পৌর শহরে পুলিশের টহল চলছে। তবে যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর জমি নিয়ে বিরোধের জেরে লামাকাজী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা কবির হোসেন ধলা মিয়ার পক্ষ এবং ইসবপুর গ্রামের হাজী সফির মিয়ার পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় একই স্থানে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণা করে দুই পক্ষ।
ধলা মিয়ার পক্ষে উপজেলা ও পৌর যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের ব্যানারে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। অন্যদিকে হাজী সফির মিয়ার সমর্থনে ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’-এর ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দেওয়া হয়। একই স্থানে মুখোমুখি কর্মসূচি থাকায় সংঘাতের আশঙ্কায় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে।
পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়, একই সময়ে একই এলাকায় দুই পক্ষের কর্মসূচি হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ১৪৪ ধারার আদেশ কার্যকর থাকবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সকাল থেকেই মাঠে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এড়াতেই উপজেলা প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কেসি কলেজে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ, ফটকের বাইরে শিবিরের নবীনবরণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে আবরার ফাহাদের পরিবার