‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের ফলাফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জুলাই জাতীয় সনদকে অবৈধ ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জনস্বার্থে একটি রিট দায়ের করেন।
রিট আবেদনে জুলাই জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐক্যমত কমিশন এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ জানান, আগামী সপ্তাহে বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এই আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।
এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং এর ফলাফল বাতিল চেয়ে আরেকটি রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ। এই রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও আইন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে বিচারপতি ফাতেমা নজীবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিটের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত গণভোটে পরিবর্তনের পক্ষে অর্থাৎ ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ভোটে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ। পরিবর্তনের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন এবং বিপক্ষে অর্থাৎ ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন ভোটার। ১৩ ফেব্রুয়ারি ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল ঘোষণা করেছিলেন।
আইনজীবীদের দাবি, এই সনদ এবং গণভোটের পুরো প্রক্রিয়াটি সংবিধানের মূল কাঠামোর সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ, যার কারণে তারা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে বিএনপি
‘জুলাই সনদ’ অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন
