সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) ছাত্র সংসদের (গকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য মো. মেহেদী হাসানকে (২২) আতর্কিতভাবে হামলা করে আহত করেছে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টেনিস কোর্টের পাশে ঘটনাটি ঘটে।
আহত মেহেদী গবির আইন বিভাগের ২৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও গকসুর নির্বাচিত কার্যনির্বাহী সদস্য। তিনি মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা।
মেহেদী জানান, রাতে তিনি মাঠের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ গায়ে চাঁদর ও মুখে মাস্ক পরিহিত ৭-৮ জন তার ওপর হামলে পড়ে। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে থাকে। মাটিতে ফেলে টানা কয়েক মিনিট পিটিয়ে দুর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়। হামলায় তার পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তিনি বলেন, “আমি এ ঘটনার বিচার চাই।”
এর আগে রবিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল থেকে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় গণ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ- গকসুর ৪র্থ অভিষেক অনুষ্ঠানের আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক পর্ব। সাংস্কৃতিক পর্ব শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই হামলার ঘটনাটি ঘটে। সম্প্রতি র্যাগিং সংক্রান্ত অভিযোগের প্রাথমিক প্রমাণের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কৃত হন তিনি। তবে রাতের দিকে তিনি ক্যাম্পাসে আসেন বলে জানা যায়।
হামলার পর আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন। হাসপাতালের ডিউটি চিকিৎসক ডা. জোবায়ের বলেন, পিঠে অন্তত দুই স্থানে ছিলে যাওয়ার চিহ্ন দেখা গেছে। অভ্যন্তরীণ আঘাত আছে কি না তা পরীক্ষা করার আগেই তাকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে তার পিঠে একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। এছাড়া শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করা হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগী।
গকসুর সহ-সভাপতি ইয়াছিন আল মৃদুল দেওয়ান বলেন, “সাংস্কৃতিক পর্ব শেষ হওয়ার পরপরই এ ঘটনা ঘটে। আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। হামলাকারীদের শনাক্ত করে সুষ্ঠু বিচার চাই।”
ঘটনা সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কারও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিচারের অগ্রগতি না হওয়ায় সম্মাননা নিলেন না গকসুর নেতা জিন্নাহ্