শৈশবের রোজা সবার কাছে বেশ রোমাঞ্চকর। নন্দিত অভিনেতা আবুল হায়াতের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ছিল না। বাবা-মা আর বড়দের যুক্তিতে ছোটবেলায় পুরো মাস রোজা রাখা হয়ে উঠত না।
শৈশবের রোজা নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ঢাকা মেইলকে আবুল হায়াত বলেন, ‘সে সময় রোজা রাখতাম, তবে পুরোটা রাখা হতো না। ফাঁকে ফাঁকে রাখতাম। আম্মা-আব্বা বলতেন বেশি রোজা রাখার দরকার নেই। প্রথমটা আর শেষেরটা রাখলেই হবে।’
অভিনেতা যোগ করেন, ‘বড়রা বোঝাতেন জোর করে রোজা রাখার দরকার নেই। দুপুরবেলা একবারে খেয়ে নেবে, তাহলেই তোমার দিনে দুইটা করে রোজা হবে! তারপরও দেখা যেত দুই-চারটি রোজা রাখা হয়ে যেত। একটু বড় বয়সে এসে মোটামুটি সব রোজা রাখি।’
শুটিংয়ের সময় কাজের চাপে রোজা রাখতে কোনো সমস্যা হয় কি না এমন প্রশ্নের জবাবে আবুল হায়াত বলেন, ‘শুটিংয়ের দীর্ঘ সময় পরিশ্রমের মধ্যেও রোজা রাখতে তার কোনো অসুবিধা হয় না।’
অভিনয়ের পাশাপাশি নির্মাণেও সিদ্ধহস্ত এই গুণী শিল্পী। প্রতি ঈদেই তিনি একটি করে নাটক নির্মাণ করেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের ঈদের জন্য নির্মাণ করেছেন নাটক ‘সখিনা’। এছাড়া একটি নাটকে অভিনয়ও করেছেন তিনি। ঈদের আগে আরও একটি নাটকে কাজ করার কথা জানিয়েছেন।
কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল গ্রেপ্তার
