সারাদেশে লঘুচাপ এবং সক্রিয় মৌসুমিবায়ুর প্রভাবে ঢাকা ও ময়মনসিংহসহ দেশের ১৯টি অঞ্চলে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেয়া সতর্কবার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সময় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টিও হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, ছত্রিশগড় এবং তৎসংলগ্ন উত্তর ও মধ্য প্রদেশে অবস্থানরত মৌসুমি স্থল নিম্নচাপটি উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়ে বর্তমানে মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন উত্তর প্রদেশে অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। মৌসুমিবায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ রাজস্থান, সুস্পষ্ট লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমিবায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারি বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি হতে পারে।
হাতিয়ায় বৈরী আবহাওয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ, আটকা শত শত পণ্যবাহী গাড়ি
সাতক্ষীরায় বিদ্যালয়ের মাঠে জলাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা