দেশে চিকিৎসকের ঘাটতি ৫৮ হাজারের বেশি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৬ পিএম

বাংলাদেশে জনসংখ্যার অনুপাতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসকের তুলনায় ঘাটতি রয়েছে ৫৮ হাজার ৫৯৮ জন। ২০২৬ সালের হিসাব অনুযায়ী দেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন হলেও বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ৩০ হাজার ৩১১ জন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সংসদে দেওয়া তথ্যে মন্ত্রী জানান, দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের অনুমোদিত পদ রয়েছে ৪১ হাজার ৮০৬টি। এর বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন ৩০ হাজার ৩১১ জন। ফলে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় ১১ হাজার ৪৯৫টি চিকিৎসকের পদ শূন্য রয়েছে।

মন্ত্রী জানান, জনসংখ্যার অনুপাতে চিকিৎসকের প্রয়োজন নির্ধারণে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্বাস্থ্য জনবল মানদণ্ড বিবেচনা করা হয়। ২০২৬ সালে সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত একটি গবেষণায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যূনতম মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রতি এক হাজার মানুষের বিপরীতে শূন্য দশমিক ৫০ জন চিকিৎসক প্রয়োজন হিসেবে ধরা হয়েছে। সেই হিসাবে চলতি বছরে দেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন।

তবে দেশের মোট চিকিৎসকের সংখ্যা এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসকের সংখ্যা এক নয় বলেও সংসদে উল্লেখ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সরকারি হাসপাতালের শূন্য পদ পূরণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়াতে বিভিন্ন নিয়োগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি। এরই মধ্যে ৪৪তম ও ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪৫তম, ৪৬তম, ৪৭তম ও ৫০তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী সার্জন নিয়োগের প্রক্রিয়াও চলছে।

সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদগুলো পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন পদ সৃষ্টি করে জনগণের জন্য সহজলভ্য, মানসম্মত ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

এএম
আরও পড়ুন