টক জাতীয় ফলের মধ্যে লেবু অন্যতম। লেবুতে ভিটামিন সি, ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান পাওয়া যায়। রমজান আসছে। এ সময় ইফতারিতে লেবুর শরবতের চাহিদা অনেকগুণ বেড়ে যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক- লেবুর স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো।
কোলেস্টেরল এবং রক্তচাপ কমায়: পুষ্টি এবং বিপাক সংক্রান্ত জার্নাল হিন্দাউইতে প্রকাশিত একটি গবেষণা থেকে জানা যায়, লেবু কোলেস্টেরল এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। লেবুতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমায়।
ওজন কমাতে সহায়তা করে: ওজন কমানোর জন্য আমরা ডায়েট চার্ট, শারীরিক ব্যায়াম এবং আরও কত কিছুই না অনুসরণ করি। এতো কিছুর পরও ওজন কমাতে একটি গোপন টিক্স জানুন। আপনার ওজন যদি মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পায় বা কিছুতেই ওজন কমাতে পারছেন না, তাহলে আপনি লেবু বা লেবুর রস খান। লেবুতে থাকা পেকটিন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে। ভাত বা অন্য যে কোনো খাবারের আইটেমের সঙ্গে লেবুর রস চিপে নিতে পারেন। দিনের একটি সময়ে লেবু পানি বা লেবুর শরবত খান। লেবুর শরবত শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখে।

কিডনিতে পাথর হওয়া প্রতিরোধ করে: এবার কিডনির পাথরকে জানান চিরবিদায়। লেবু প্রসাবের পরিমাণ এবং পিএইচ বাড়ায়। স্ফটিক গঠনের সম্ভাবনা হ্রাস করে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় লেবু রাখুন। এতে প্রাকৃতিকভাবেই আপনার কিডনিতে পাথর হওয়া থেকে প্রতিরোধ করবে। পিত্তথলি এবং লিভার থেকে বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে।
লেবু শরীরকে শক্তিশালী করে: লেবুতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড আয়রন শোষণ বাড়ায়। বিশেষ করে এটি রক্তের ব্যাধি বা রক্তাল্পতার বিরুদ্ধে লড়াই করে।
হজমে সহায়তা এবং কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করে: লেবু পাচনত্রন্ত্রকে সুস্থ রাখে। গ্যাস্ট্রিক রস উৎপাদন নিষ্কাশন করে, তাই এটি হজমে দুদার্ন্ত কাজ করে। লেবু কোষ্ঠ্যকাঠিন্য সমস্যা নিরাময় করে।
রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: লেবুতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল এবং অ্যান্টি- ইনফ্লাম্মেটরি বৈশিষ্ট্য। যা শরীরে প্রদাহ কমায়। রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ভাইরাস সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে লেবুকে সুপার হিরো বলা হয়।
লেবুর রস মাথার ত্বকের খুশকি এবং রুক্ষতা দূর করে। লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায়, এটি ত্বকের কোলাজেন গঠন করে। এতে ত্বকে বার্ধ্যকের ছাপ সহজে পড়ে না।
