নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, আগামী সাধারণ নির্বাচন হবে অনেকটা লাইনচ্যুত রেলকে পুনরায় লাইনে এনে সচল করার মতো। ন্যূনতম সংস্কার ও যন্ত্রাংশ পরিবর্তনের মাধ্যমে নির্বাচনি ব্যবস্থাকে গতিশীল করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও ব্যুরো কার্যালয়ে একটি প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ৮১টি সংস্থার মোর্চা ‘অ্যালায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি’ (এএফইডি) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
দেশের নির্বাচনি ব্যবস্থা ও চলমান সংস্কার কার্যক্রমের প্রসঙ্গ টেনে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনকে আমি যদি একটু রূপকভাবে বলি, এটা অনেকটা লাইনচ্যুত একটি ট্রেনকে আবার লাইনে ফিরিয়ে এনে চালু করার মতো। ন্যূনতম রিপেয়ার করে, কিছু যন্ত্রাংশ বদলে অন্তত গতি দেওয়ার চেষ্টা। যদি আমরা এটা করতে পারি, তাহলে এটাকেই আমরা প্রথম বড় সাফল্য হিসেবে ধরতে পারি।
নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, পর্যবেক্ষকরা হচ্ছেন নির্বাচন কমিশনের তৃতীয় নয়ন। আমরা চাই তাদের পর্যবেক্ষণ যেন মানসম্মত ও বস্তুনিষ্ঠ হয়। মৌলিক বিষয়গুলোতে যেন কোনো ব্যত্যয় না ঘটে। পর্যবেক্ষকদের নীতিমালার মধ্যে থেকে কমিশন সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশন সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও এ সময় আশ্বস্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডেমোক্রেসি ওয়াচের চেয়ারপার্সন তালেয়া রহমান এবং খান ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ার রোকসানা খন্দকার। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও বিদেশি দূতাবাসের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে নিবন্ধন পেয়েছে ৮১টি সংস্থা 
