স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় বন্দি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা সাদ্দামের পরিবারের পক্ষ থেকে প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে কোনো আবেদন করা হয়নি বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা ফয়সল হাসান সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুতে বন্দি সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির জন্য তার পরিবারের পক্ষ থেকে যশোর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও লিখিত আবেদন করা হয়নি। পরিবারের মৌখিক অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে যশোর জেলগেটে স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ দেখানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মানবিক বিবেচনায় এ বিষয়ে যশোর জেলা প্রশাসন ও যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছে।
এ ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যশোর জেলা প্রশাসক বা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়েছে, এমন তথ্য প্রকাশিত হলেও তা সঠিক নয় বলে।
গণমাধ্যমগুলো সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জনগণের তথ্য জানার অধিকার সমুন্নত রাখবে বলে আশা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের।
এর আগে, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হন বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দাম। বর্তমানে একাধিক মামলায় তিনি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
গত শুক্রবার দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে তার স্ত্রী কানিজ সুবর্ণার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একই স্থান থেকে উদ্ধার করা হয় তার শিশুসন্তানের মরদেহ। পুলিশ ও পরিবারের দাবি, মানসিক হতাশা থেকে সন্তানকে হত্যার পর তিনি আত্মহত্যা করেন।
এরপর শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহ যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে অল্প সময়ের জন্য অ্যাম্বুলেন্সটি কারাগারের ভেতরে প্রবেশ করে আবার বেরিয়ে আসে। এ সময় নিহতদের স্বজনদের ১২ থেকে ১৫ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সেদিন দিবাগত রাত ১২টার দিকে জানাজা শেষে তাদের দাফন করা হয়।
ঢাকার ১৩টি আসনে ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম গঠন
হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য দেশের গণতন্ত্র ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
