প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার এবং সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের মূল চেতনা। সেই ঐতিহাসিক চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে দেশে আজ গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই অর্জিত গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে আরও সুসংহত ও শক্তিশালী করতে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আগামীকাল ২১শে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাতৃভাষা বাংলাসহ বিশ্বের সব ভাষাভাষী মানুষ ও জাতিগোষ্ঠীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি গভীর শ্রদ্ধার সাথে ১৯৫২ সালের সেই সব বীর শহীদদের স্মরণ করেন যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাঙালি জাতি তার মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে সমর্থ হয়েছিল।
তিনি উল্লেখ করেন যে ৫২-র সেই লড়াই কেবল ভাষার অধিকারই প্রতিষ্ঠা করেনি বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র এবং সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত্তিকে মজবুত করেছিল। ওই আন্দোলনের পথ ধরেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন যে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের গণতান্ত্রিক বিপ্লবসহ সব গণআন্দোলনের শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।
তিনি একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ এবং মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলার সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করেন। তারেক রহমান দেশবাসীকে দেশের বিদ্যমান ভাষাবৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সর্বস্তরে বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহার ও চর্চা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। বাণীর শেষে তিনি সব ভাষা শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শহীদ দিবস উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।
অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে প্রস্তুতি সম্পন্ন
শহীদ মিনারে যেতে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা
একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই: র্যাব ডিজি
