প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা আর সামাজিক নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে আধুনিক ও মানবিক ঢাকা-১৭ গড়ার অঙ্গীকার করেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামান। তার ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহারে অ্যাপসভিত্তিক অ্যাম্বুলেন্স, রক্ত সরবরাহ, নারীদের জন্য বিশেষ সুবিধাসহ ১৭টি উদ্যোগ তুলে ধরা হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানের ইমানুয়েলস পার্টি সেন্টারে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
ডা. খালিদুজ্জামানের প্রস্তাবিত উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে ঘরে ঘরে স্মার্ট সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড, ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ ভিত্তিক ডিজিটাল হেলথ কার্ড, প্রবীণ ও দীর্ঘমেয়াদি রোগগ্রস্তদের জন্য বিশেষ হোমকেয়ার সেবা এবং ডিসকাউন্ট ফার্মেসি। এছাড়া কল সেন্টার বা অ্যাপসের মাধ্যমে মিলবে স্বল্পমূল্যের অ্যাম্বুলেন্স সেবা। রক্তের চাহিদা পূরণেও থাকবে ব্যবস্থা।
নারীদের জন্য নিরাপদ ও সম্মানজনক কর্মসংস্থান তৈরিতে ‘আমার আয়ের সংসার’ প্রকল্প, নারী স্বাস্থ্য ও শরীরচর্চা কেন্দ্র, বয়স্ক নারী শিক্ষাকেন্দ্র, স্বতন্ত্র পরিবহনসহ বিভিন্ন সহায়ক অবকাঠামো গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি রয়েছে এই ইশতেহারে। থাকবে আলাদা গণশৌচাগার, বাজার, ব্রেস্টফিডিং কর্নার ও নামাজের জায়গা। যুবকদের কর্মসংস্থানে ‘দক্ষতা’ অ্যাপসের মাধ্যমে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও বৃত্তিমূলক ব্যবস্থার পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়েছে।
নগর ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি ঠেকাতে ‘ডিজিটাল পাহারাদার’ অ্যাপস, আইওটি ভিত্তিক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, ডিজিটাল ট্রাভেল পাস এবং গণপরিবহণে ডিজিটাল পেমেন্ট চালুর ঘোষণা দিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এই প্রার্থী। একই সঙ্গে, স্মার্ট লাইব্রেরি, ই-লার্নিং সুবিধা, ওয়ার্ডভিত্তিক পাইকারি বাজার, ফ্রি ফ্রাইডে হকার ফেয়ার এবং ‘হ্যালো ঢাকা-১৭’ হটলাইন চালুর কথাও রয়েছে ইশতেহারে।
ডা. খালিদুজ্জামান বলেন, ঢাকা-১৭ আসনকে একটি মানবিক, নিরাপদ ও স্মার্ট নগরীতে রূপান্তর করাই আমাদের লক্ষ্য। নাগরিকরা যেন এক প্ল্যাটফর্ম থেকে সব সেবা পান, সেটা হবে আমাদের অগ্রাধিকার। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে আমরা এসব বাস্তবায়ন করব ইনশাল্লাহ।

