বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন’

আপডেট : ০১ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৩ এএম

আগামী ৩ মার্চ এক বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। এদিন আকাশে দেখা যাবে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। সাম্প্রতিক সূর্যগ্রহণ বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে দেখা না গেলেও, এবারের চন্দ্রগ্রহণ দেখার সুযোগ পাচ্ছেন এই অঞ্চলের মানুষ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বাংলাদেশ থেকে এই পূর্ণগ্রাস গ্রহণ উপভোগ করা যাবে।

কেন একে ‘ব্লাড মুন’ বলা হয়?

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ পুরোপুরি কালো হয়ে যায় না, বরং গাঢ় লাল রং ধারণ করে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে যখন সূর্যের আলো প্রতিসরিত হয়, তখন নীল অংশটি চারদিকে ছড়িয়ে পড়লেও লাল অংশটি চাঁদের ওপর গিয়ে পড়ে। এ কারণেই গ্রহণ চলাকালীন চাঁদকে রক্তিম দেখায়, যাকে বলা হয় ‘ব্লাড মুন’। যখন পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের ঠিক মাঝখানে চলে আসে, তখনই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

বাংলাদেশ ও ভারতে গ্রহণের সময়সূচি:

৩ মার্চ প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে এই গ্রহণ প্রক্রিয়া চলবে। পূর্ণগ্রাস পর্যায়টি স্থায়ী হবে প্রায় ৫৮ মিনিট।

বাংলাদেশ সময়:

  • পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শুরু: বিকেল ৫টা ২৮ মিনিট।
  • পূর্ণগ্রাস শেষ: সন্ধ্যা ৬টা ০২ মিনিট।
  • খণ্ডগ্রাস শেষ: রাত ৮টা ২৩ মিনিট।

ভারতীয় সময়:

  • পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শুরু: বিকেল ৪টা ৫৮ মিনিট।
  • পূর্ণগ্রাস শেষ: বিকেল ৫টা ৩২ মিনিট।
  • খণ্ডগ্রাস শেষ: রাত ৭টা ৫৩ মিনিট।

আমেরিকার পশ্চিমের স্টেটগুলোতে ৩ মার্চ ভোর ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত এই গ্রহণ দেখা যাবে। তবে বাংলাদেশ ও ভারত থেকে অল্প সময়ের জন্য পূর্ণগ্রাস দেখা গেলেও খণ্ডগ্রাস দেখা যাবে দীর্ঘক্ষণ।

খালি চোখে দেখা কি নিরাপদ?

সূর্যগ্রহণের মতো চন্দ্রগ্রহণ দেখতে কোনো বিশেষ চশমা বা ফিল্টারের প্রয়োজন হয় না। এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ, তাই যে কেউ খালি চোখেই আকাশের এই বিস্ময়কর দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন। তবে মেঘমুক্ত আকাশ থাকলে এই গ্রহণ সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে।

NB/
আরও পড়ুন