তামিমকে ‘ভারতীয় দালাল’ বলায় শান্তর প্রতিক্রিয়া

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৮ এএম

মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার জেরে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলতে না চেয়ে আইসিসিকে বিসিবির চিঠি এবং এর প্রেক্ষিতে তামিম ইকবালের মন্তব্য ঘিরে উত্তাল দেশের ক্রিকেট অঙ্গন।

তামিমকে নিয়ে বিসিবির পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের ‘ভারতীয় দালাল’ মন্তব্যের পর এবার মুখ খুলেছেন জাতীয় দলের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। বিসিবি পরিচালকের এমন মন্তব্যকে ‘দুঃখজনক’ ও ‘অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিপিএলের ম্যাচ শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের অধিনায়ক শান্ত বলেন, ‘খুবই দুঃখজনক, কারণ আমরা এমন একটা মন্তব্য করে ফেললাম এমন একজন ক্রিকেটারের সম্পর্কে। সাবেক অধিনায়ক এবং আমার মনে হয় বাংলাদেশের অন্যতম সফল ক্রিকেটার, যাকে দেখে আমরা বড় হয়েছি।

যেকোনো ক্রিকেটার, সাবেক অধিনায়ক কিংবা একজন সাধারণ খেলোয়াড়ও হতে পারে, সফল হতে পারে–নাও হতে পারে। কিন্তু দিনশেষে একজন ক্রিকেটার কিন্তু সবসময় সম্মানটুকু আশা করে। আমি পূর্ণ সম্মানটুকু পাচ্ছি কি না। যে এত বড় ক্রিকেটার এবং বাংলাদেশের হয়ে এত কিছু করেছে, তাকে নিয়ে এ ধরনের কমেন্ট করা খুবই দুঃখজনক।’

বিসিবিকে ক্রিকেটারদের অভিভাবক উল্লেখ করে শান্ত বলেন, ‘সবচেয়ে কষ্ট লাগার বিষয়টাই হলো ক্রিকেট বোর্ড তো আমাদের অভিভাবক, ঘরের মানুষের কাছ থেকে আমরা আশা করি যে আমাদেরকে আগলে রাখবে। আমাদেরকে আরও রক্ষা করবে। এই জায়গাটা থেকে আমি বলব যে এটা একদমই একজন ক্রিকেটার হিসেবে আমি মানতে পারি না। আমি নিজেও চাই যে আমাকে আমার ঘরের মানুষ ব্যাক করবে, সমর্থন করবে।’

শান্ত আরও ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘আমি যদি আমার বাবা-মায়ের কথা বলি তারা আমাকে ঘরের মধ্যে বকাবকি করুক। আমি কখনোই চাইব না যে মানুষের সামনে আমাকে বকাবকি করুক যদি আমি ভুল করি। আমি এমন একজন মানুষের সম্পর্কে এমন একটা কমেন্ট করে ফেললাম যিনি কি না আবার আমাদের অভিভাবক, এটা আসলে গ্রহণ করাটা খুবই ডিফিকাল্ট। এই জিনিসটা আমি প্লেয়ার হিসেবে একদমই মানতে পারছি না এবং আমি একদমই এটার পক্ষে না এটা, জানি না এটা কেন কী কারণে এ ধরনের কমেন্ট আসছে। বাট আমি মনে করি যে অভিভাবক হিসেবে এ ধরনের কমেন্ট করাটা একদমই যৌক্তিক না এবং এটা আমি একদমই গ্রহণ করি না।’

উল্লেখ্য, তামিম ইকবালের পাশে দাঁড়িয়ে ইতোমধ্যে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) এবং সাধারণ ক্রিকেটাররা এই ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

DR
আরও পড়ুন