ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে এবার বিশ্বকাপের সবচেয়ে শক্তিশালী দলগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ২০০৮ ও ২০১২ সালের স্বর্ণযুগের পর এই দলটিকে আবারও সেই স্তরের কাছাকাছি একটি প্রজন্ম হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
এই নতুন স্প্যানিশ দলটি তুলনামূলকভাবে আরও তরুণ এবং গভীর স্কোয়াডে সমৃদ্ধ। কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে দলটি পুরোনো টিকি-টাকা নির্ভরতা থেকে বের হয়ে আরও দ্রুত ও সরাসরি আক্রমণভিত্তিক খেলায় নিজেদের গড়ে তুলেছে।
তবে সবকিছুই নিখুঁত নয়। বিশ্বকাপ মঞ্চে স্পেনের সাম্প্রতিক ইতিহাস কিছুটা হতাশাজনক, যেখানে ২০১০ সালের শিরোপার পর আর শেষ ষোলো পেরোতে পারেনি লা রোহা। তাই এবার তাদের সামনে বড় প্রশ্ন, এই প্রতিভাকে কি তারা শিরোপায় রূপ দিতে পারবে?
দলের সবচেয়ে বড় তারকা হিসেবে উঠে এসেছেন লামিনে ইয়ামাল। বার্সেলোনার এই তরুণ উইঙ্গার ইউরোপীয় ফুটবলে ইতোমধ্যেই আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। তবে বয়স কম হওয়ায় তার ওপর চাপ সামলানো এবং ফিটনেস ধরে রাখাও স্পেনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
মাঝমাঠে রদ্রি এখনো দলের মূল ভরসা, যদিও সাম্প্রতিক ইনজুরির কারণে তার ফিটনেস নিয়ে কিছুটা শঙ্কা রয়েছে। তার সঙ্গে পেদ্রি, গাভি ও ফ্যাবিয়ান রুইজের মতো খেলোয়াড়রা দলকে নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য দেওয়ার দায়িত্বে থাকবেন।
আক্রমণভাগে নিকো উইলিয়ামস, ফেরান তোরেস ও দানি ওলমোর মতো খেলোয়াড়রা গতি ও সৃজনশীলতা যোগ করছেন। তবে একটি নির্ভরযোগ্য ক্লাসিক স্ট্রাইকারের অভাব এখনও স্পেনের দুর্বল দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গ্রুপ পর্বে স্পেনের প্রতিপক্ষ তুলনামূলক সহজ হলেও উরুগুয়ের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে তাদের। বিশেষ করে শারীরিকভাবে শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিজেদের প্রমাণ করাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ।
সব মিলিয়ে, স্পেন এবার বিশ্বকাপে নামছে স্পষ্ট লক্ষ্য নিয়ে, দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বিশ্বসেরা হওয়ার মঞ্চে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করা। সূত্র: আলজাজিরা
নেইমারকে ছাড়াই কাল মাঠে নামছে ব্রাজিল