ঘরের মাঠে কানাডার ইতিহাস গড়ার হাতছানি

আপডেট : ১২ জুন ২০২৬, ০৬:৫৯ পিএম

ঘরের মাঠ, স্বপ্নও তাই অনেক বড়। বিশ্বকাপ ইতিহাসে কখনো গ্রুপ পর্ব পেরোতে না পারা কানাডা এবার সহ-আয়োজক হিসেবে নতুন অধ্যায় লেখার অপেক্ষায়। টরন্টোতে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে  ইতিহাস বদলানোর লক্ষ্যই জেসি মার্শের দলের সামনে সবচেয়ে বড় প্রেরণা।

ফুটবলে কানাডার পরিচিতি দীর্ঘদিন ধরেই আইস হকির শক্তিধর দেশ হিসেবে। বিশ্বকাপের মঞ্চে তাদের সাফল্যের গল্প খুব বেশি সমৃদ্ধ নয়। ১৯৮৬ সালের পর দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ খেলেছিল ২০২২ সালে। এবার সহ-আয়োজক হিসেবে সরাসরি জায়গা পেয়েছে ২০২৬ আসরে।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে এখন পর্যন্ত মাত্র দুটি গোল করেছে কানাডা এবং কখনোই গ্রুপ পর্ব পেরোতে পারেনি। তবে ঘরের মাঠে সমর্থকদের উপস্থিতিকে বড় শক্তি হিসেবে দেখছে দলটি।

সাবেক কোচ স্টিফেন হার্টের মতে, বর্তমান কানাডা দল অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি পরিণত ও প্রতিযোগিতামূলক। ইউরোপের শীর্ষ লিগ ও উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলা একাধিক ফুটবলারের উপস্থিতি দলটিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

বর্তমান স্কোয়াডে রয়েছেন জুভেন্টাস, বায়ার্ন মিউনিখ, পোর্তো ও অলিম্পিক মার্সেইয়ের মতো ক্লাবের খেলোয়াড়রা। কোচ জেসি মার্শ এমন একটি দল গড়ে তুলেছেন, যা কানাডার বহুসাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতিফলন।

দলের সবচেয়ে বড় তারকা অধিনায়ক আলফনসো ডেভিস। ২০২২ বিশ্বকাপে কানাডার ইতিহাসের প্রথম গোলটি করেছিলেন তিনি। তবে চোটের কারণে বসনিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তার খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

কানাডার আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা জনাথন ডেভিড। এছাড়া তাজন বুকানান এবং অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার রিচি ল্যারিয়া-রাও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

ঘরের মাঠে সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণ করে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে ওঠার লক্ষ্য নিয়েই বিশ্বকাপ মিশন শুরু করছে কানাডা।

AS
আরও পড়ুন