২০২৬ পুরুষদের বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল এখনও শুরুই হয়নি, কিন্তু ম্যাচের আগেই নতুন বিতর্কে জড়িয়েছে ইংল্যান্ড। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে দায়িত্ব পাওয়া রেফারি ইসমাইল এলফাথকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু ব্রিটিশ গণমাধ্যমে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ নেই।
ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছেন মরক্কোতে জন্ম নেওয়া মার্কিন রেফারি ইসমাইল এলফাথকে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম জিবি নিউজ, এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু সমর্থক এলফাথকে ‘লিওনেল মেসির প্রিয় রেফারি’ বলে দাবি করছেন। তাদের যুক্তি, এলফাথ দায়িত্বে থাকা ম্যাচগুলোতে মেসি ও আর্জেন্টিনার জয়ের হার শতভাগ।
তবে এই পরিসংখ্যানকে পক্ষপাতের প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এলফাথ ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স ম্যাচে চতুর্থ রেফারির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এছাড়া ক্লাব ফুটবলেও তিনি মেসির কয়েকটি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। তবে শুধু এ কারণেই তাকে পক্ষপাতদুষ্ট বলা যায় না।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চলতি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডও বিতর্কিত সিদ্ধান্তের সুবিধা পেয়েছে। সর্বশেষ নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে তাদের একটি গোল নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ ছিল, বলটি গোল হওয়ার আগে স্টেডিয়ামের স্পাইডার-ক্যামের তারে লেগেছিল, ফলে গোলটি বাতিল হওয়া উচিত ছিল।
এছাড়া ১৯৬৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে জিওফ হার্স্টের বিতর্কিত গোলের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। অনেকের মতে, সেই বল পুরোপুরি গোললাইন অতিক্রম করেনি। তাই ম্যাচ শুরুর আগেই রেফারিকে নিয়ে ইংল্যান্ডের অভিযোগকে অনেকেই অতিরঞ্জিত বলে মনে করছেন।
প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, এলফাথ একজন অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক রেফারি। তিনি মেজর লিগ সকার (MLS), ২০২২ বিশ্বকাপসহ একাধিক বড় টুর্নামেন্টে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফিফা গুরুত্বপূর্ণ সেমিফাইনালের জন্য তাকে বেছে নেওয়ায় তার অভিজ্ঞতারই প্রতিফলন দেখা যায়।
ফুটবলে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে ম্যাচ শেষে আলোচনা-সমালোচনা হতে পারে। তবে শুধু মেসি বা আর্জেন্টিনার অতীত সাফল্যের সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে আছে বলে ম্যাচ শুরুর আগেই পক্ষপাতের অভিযোগ তোলা যুক্তিসঙ্গত নয় বলেই প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে।
বিশ্বকাপের কারণে বার্সা-রিয়ালের লা লিগার সূচিতে পরিবর্তন
ইংল্যান্ড ম্যাচ ঘিরে শান্তির বার্তা দিলেন আর্জেন্টাইন যুদ্ধপ্রবীণরা
ইয়ামাল যা বিশ্বাস করে, সেটাই বলে: কুন্দে