ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের রেফারি ইসমাইল এলফাথ। কাকতালীয়ভাবে, তার পরিচালনায় খেলা দুটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইনালেই শিরোপা জিতেছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ফলে এই নিয়োগ ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৪৪ বছর বয়সী এলফাথ এবারের বিশ্বকাপে দায়িত্ব পালন করেছেন যেসকল ম্যাচে,
- জাপান-নেদারল্যান্ডস
- উরুগুয়ে-স্পেন
- নরওয়ে-ব্রাজিল
তিন ম্যাচে ছয়টি হলুদ কার্ড এবং একটি সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়েছেন।
উরুগুয়ের মিডফিল্ডার আগুস্তিন কানোব্বিওকে স্পেনের ডিফেন্ডার পাও কুবারসির ওপর বিপজ্জনক ট্যাকলের দায়ে লাল কার্ড দেখান এলফাথ। মাঠ ছাড়ার সময় কানোব্বিও রেফারির সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়ান এবং তার জার্সিও টেনে ধরেন।
বাংলাদেশ সময় বুধবার দিবাগত রাত ১টায় আটলান্টায় অনুষ্ঠিতব্য দ্বিতীয় সেমিফাইনালে এলফাথকে সহায়তা করবেন তার স্বদেশি সহকারী রেফারি কোরি পার্কার ও কাইল অ্যাটকিনস। চতুর্থ রেফারির দায়িত্ব পালন করবেন ইতালির মাউরিজিও মারিয়ানি।
মেসির সঙ্গে এলফাথের একটি বিশেষ যোগসূত্র রয়েছে। ২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ের ম্যাচে তিনি চতুর্থ রেফারির দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া ২০২৩ সালের লিগস কাপের ফাইনালে ন্যাশভিল এসসিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ইন্টার মায়ামির ইতিহাসের প্রথম শিরোপা জয়ের ম্যাচেও প্রধান রেফারি ছিলেন এলফাথ।
মরক্কোতে জন্ম নেওয়া এলফাথ ১৮ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। ২০১২ সাল থেকে তিনি মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) নিয়মিত রেফারিং করছেন। এমএলএসে দুইবার বর্ষসেরা রেফারির স্বীকৃতিও পেয়েছেন তিনি।
এদিকে ফিফার স্বার্থসংঘাত-সংক্রান্ত নীতিমালার কারণে ইংল্যান্ডের দুই রেফারি মাইকেল অলিভার ও অ্যান্থনি টেলর বিশ্বকাপের ফাইনাল পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছেন না। একই কারণে আর্জেন্টিনার রেফারি ফাকুন্দো তেল্লোও ফাইনাল কিংবা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।
ফিফার এই নীতির পেছনে রয়েছে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার রাজনৈতিক ইতিহাস। বিশেষ করে ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় দুই দেশের রেফারিদের পরস্পরের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দায়িত্ব না দেওয়ার নীতি অনুসরণ করা হয়।
স্পেনের শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করেও রেফারিকে দুষলেন ফ্রান্সের কোচ
বাংলাদেশের সমর্থকদের নিয়ে যা বললেন আর্জেন্টিনার কোচ
ফ্রান্সকে বিদায় করে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন