কক্সবাজারের মহেশখালীকে একটি আন্তর্জাতিক মানের সমন্বিত শিল্প হাব হিসেবে গড়ে তুলতে পাঁচ বছরের কৌশলগত রোডম্যাপ চূড়ান্ত করেছে মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা)।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মিডার প্রথম গভর্নিং বোর্ড সভায় এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সভা শেষে মিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন জানান, ২০২৫ থেকে ২০৩০ সময়কালের জন্য একটি ‘স্বল্পমেয়াদি ভূমি বরাদ্দ পরিকল্পনা’ অনুমোদন দিয়েছে বোর্ড।
তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে মিডার তিনটি প্রধান লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। যার মূল গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দেশের চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায়।
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বলেন, মহেশখালীর গভীর সমুদ্রবন্দরকে কার্যকরভাবে পরিচালনায় আনা হবে এই রোডম্যাপের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। একইসঙ্গে দ্রুত এলএনজি ও এলপিজি টার্মিনাল স্থাপনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে জ্বালানি সংকট একটি বড় সমস্যা এবং এই সংকট মোকাবিলায় এসব টার্মিনাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।
মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের ক্ষেত্রে মহেশখালীর প্রাকৃতিক সম্পদ কাজে লাগানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলেও জানান মিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, অঞ্চলটির অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে বহুমুখী করতে বোর্ড মহেশখালী এলাকায় একটি বিশেষায়িত মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ হাব স্থাপনের পরিকল্পনাও অনুমোদন দিয়েছে।
জানুয়ারির ২৫ দিনেই এলো ২৬২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
