দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ বাজেট: রাষ্ট্রপতির অনুমোদন

আপডেট : ১১ জুন ২০২৬, ০৮:৫৯ পিএম

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের অনুমোদনের মাধ্যমে চূড়ান্ত রূপ পেল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট এবং ২০৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সে অবস্থিত রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে তিনি এই বাজেট সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর করেন। 

রাষ্ট্রপ্রধানের এই আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের আগে সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার একটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রস্তাবিত এই মেগা বাজেটের নীতিগত ও আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়।

এবারের প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্ববৃহৎ জাতীয় বাজেট। দীর্ঘ দুই দশক পর, অর্থাৎ ২০০৬-০৭ অর্থবছরের পর এটিই বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে পেশ করা প্রথম জাতীয় বাজেট। এর আগে ২০০৬ সালে সর্বশেষ বাজেট উপস্থাপন করেছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী এম. সাইফুর রহমান। দীর্ঘ সময় পর এবারের বাজেটের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘অর্থনৈতিক গণতন্ত্রীকরণ ও নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণ: ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির পথে বাংলাদেশের যাত্রা’।

এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ৫৫তম জাতীয় বাজেট এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেট। পাশাপাশি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর জন্যও অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী হিসেবে এটিই প্রথম বাজেট উপস্থাপন। 

এই ঐতিহাসিক বাজেট স্বাক্ষরকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. আব্দুর রহমান খানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। বাজেট নথিতে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর পর্ব শেষ করে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন। এর পরপরই অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেটটি সংসদে উপস্থাপনের উদ্দেশ্যে অধিবেশন কক্ষের দিকে রওনা হন।

Attr/AHA
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত