মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে যুক্তরাজ্যের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায়। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছেন, এই যুদ্ধের ফলে ক্রমবর্ধমান ব্যয় ব্রিটিশ পরিবারগুলোর ওপর তীব্র মানসিক ও আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে।
প্রধানমন্ত্রী স্টারমার বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে, যা পরোক্ষভাবে যুক্তরাজ্যের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় (Cost of Living) বাড়িয়ে তুলেছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে জীবনযাত্রার মান আরও কঠিন হয়ে পড়বে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য তিনি ইরানের সাথে একটি আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা বা 'নেগোশিয়েটেড সেটলমেন্ট'-কে একমাত্র কার্যকর সমাধান হিসেবে উল্লেখ করেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কাতারের রাস লাফান এলএনজি কেন্দ্রে ইরানি হামলা এবং কুয়েতের মিনা আল-আহমাদি শোধনাগারে ড্রোনের আঘাত বিশ্ববাজারে গ্যাসের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। ফলে যুক্তরাজ্যে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিল বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। লন্ডনের মেয়র সাদিক খান যেখানে ব্রেক্সিটের কারণে ব্রিটিশ অর্থনীতির ৮% ক্ষতির কথা বলছেন, সেখানে এই নতুন যুদ্ধ পরিস্থিতি মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
ব্রিটিশ সরকার বর্তমানে পারিবারিক বাজেট রক্ষা এবং ব্যয় কমানোর জন্য কাজ করছে বলে স্টারমার আশ্বস্ত করলেও, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা সামাল দেওয়া ডাউনিং স্ট্রিটের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সাইপ্রাস ইস্যুতে ইইউ প্রধানের মন্তব্যে নিন্দা
