ইসলামাবাদে কি মুখোমুখি হবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র? 

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে পাকিস্তান। সবকিছু ঠিক থাকলে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শিগগিরই দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি বৈঠক হতে পারে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে একাধিক কূটনৈতিক সূত্র এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, পাকিস্তান বর্তমানে উভয় পক্ষের সঙ্গেই নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের এক কর্মকর্তা জানান, গত কয়েক দিন ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বার্তার আদান-প্রদান করছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তান ছাড়াও তুরস্ক ও মিশর এই মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার দাবি করেছেন যে, দুই দেশের মধ্যে ‘খুব ভালো ও ফলপ্রসূ আলোচনা’ হয়েছে। তিনি একটি ৫ দিনের সময়সীমা (উইন্ডো) দিয়েছেন এবং জানিয়েছেন এর মধ্যে অগ্রগতি হলে সমাধানের পথ মিলতে পারে। তবে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মাদ বাগের গালিবাফ এই আলোচনার দাবি সরাসরি অস্বীকার করেছেন। যদিও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই স্বীকার করেছেন যে, ‘বন্ধুসুলভ কিছু দেশ’ মার্কিন বার্তা তাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে এবং ইরান তার যথাযথ জবাবও দিয়েছে।

হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তানই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রায় ২৬ কোটি মানুষের দেশ পাকিস্তান তাদের প্রয়োজনীয় তেলের সিংহভাগ এবং প্রায় পুরো প্রাকৃতিক গ্যাস এই পথ দিয়েই আমদানি করে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই ইসলামাবাদ এই যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা করছে।

সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। তিনি আঞ্চলিক শান্তি রক্ষায় পাকিস্তানের গঠনমূলক ভূমিকার আশ্বাস দেন। অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, এগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল আলোচনা এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কোনো জল্পনা করা ঠিক হবে না। সূত্র: এনবিসি নিউজ

FJ
আরও পড়ুন