গুপ্তচরবৃত্তি বা শত্রু রাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার অভিযোগে থাকা ব্যক্তিরা সম্প্রতি সংশোধিত আইনের অধীনে মৃত্যুদণ্ড এবং সব সম্পদের বাজেয়াপ্তির মুখোমুখি হতে পারেন বলে জানিয়েছেন ইরানের বিচার বিভাগীয় মুখপাত্র আসগর জাহাঙ্গীর।
মুখপাত্র আরও বলেন, শত্রুদের লক্ষ্য নির্ধারণে সাহায্য করতে পারে এমন কোনো ছবি বা ভিডিও শেয়ার করাও গোয়েন্দা সহযোগিতার আওতায় পড়তে পারে।
ইরানি মিডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক মাসে এক হাজারেরও বেশি মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সংবেদনশীল স্থানের ভিডিও বা ছবি তোলা, অনলাইনে সরকারবিরোধী বিষয়বস্তু শেয়ার করা বা শত্রুপক্ষের সহযোগিতা করা।
বিচার বিভাগীয় মুখপাত্র বলেন, গত বছর অনুমোদিত হওয়া এ আইন গোয়েন্দা এবং কিছু মিডিয়া কার্যক্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা শত্রুপক্ষের সরকারের সহায়তা হিসেবে ধরা হয়।
তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যারা আতঙ্ক সৃষ্টি করে মিথ্যা তথ্য ছড়াবে, তাদের কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে হবে। এমনকি যুদ্ধকালেও তাদের শাস্তি বাড়ানো হবে।
তিনি আরও জানান, এ ধরনের মামলায় প্রায় ২০০টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পদের সনাক্তকরণ ও বাজেয়াপ্তির কাজ চলছে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে কোনো রকম সহমর্মিতা থাকবে না। সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল
ইরান যুদ্ধে ‘অসহযোগী’ আচরণ করেছে ফ্রান্স 
