ইরানকে অবিলম্বে সময়ক্ষেপণ বন্ধ করে আলোচনার টেবিলে আসার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক ম্যার্ৎস।
তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তেহরান আর পুরো মধ্যপ্রাচ্য এমনকি পুরো বিশ্বকে জিম্মি করে রাখতে পারে না। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জার্মানির লোয়ার স্যাক্সনির ম্যুনস্টারে এক সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
চ্যান্সেলর ম্যার্ৎস ইরানের সামরিক কর্মসূচি অবসানের ওপর জোর দিয়ে বলেন, 'ইসরায়েল বা পশ্চিমা মিত্রদের ওপর আর কোনো হামলা বরদাস্ত করা হবে না।' কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা নিরসনে তিনি জার্মানির সামরিক অবদানের প্রতিশ্রুতি দেন।
ম্যার্ৎস উল্লেখ করেন, প্রয়োজনীয় শর্তগুলো পূরণ হলে সামুদ্রিক পথের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে জার্মানি সামরিকভাবে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
ইউরোপীয় কাউন্সিলের বৈঠকে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার চাপ বাড়ানোর বিষয়ে জোরালো দাবি তুলেছেন ম্যার্ৎস। তাঁর মতে, হরমুজ অবরুদ্ধ থাকলে তা বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সমস্যার সৃষ্টি করবে। তিনি আরও জানান যে, তাঁর সরকার সম্মিলিত ট্রান্সআটলান্টিক স্বার্থ রক্ষায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছে এবং একটি শক্তিশালী ন্যাটো ও নির্ভরযোগ্য অংশীদারিত্বের লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে।
এর আগে পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা নিয়ে টানাপোড়েনের জেরে ট্রাম্প প্রশাসন 'অপমানিত' হয়েছে বলে মন্তব্য করেছিলেন ম্যার্ৎস। প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প জার্মানিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমানোর ইঙ্গিত দিলে দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়। মূলত এরপরই ইরান ও হরমুজ ইস্যুতে জার্মানির এই কঠোর অবস্থান সামনে এলো। সূত্র: ডয়চে ভেলে
