আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে বড় ধরনের অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। সপ্তাহের শুরুতে দাম কমে গত দেড় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামলেও দিনের শেষভাগে তা আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তবে বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি এবং মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের উচ্চ সুদের হার নিয়ে উদ্বেগের কারণে এই দাম বাড়ার গতি ছিল ধীর।
সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে সোনার দাম প্রতি আউন্সে ০.৩ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৫৫২.৫৯ ডলারে পৌঁছায়। এর আগে দিনের শুরুতে এটি গত ৩০ মার্চের পর সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে গিয়েছিল। অন্যদিকে, জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের দাম সামান্য কমে ৪ হাজার ৫৫৭ ডলারে অবস্থান করছে।
বাজার বিশ্লেষক নিকোস তজাবোরাস রয়টার্সকে জানান, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার কমানোর সম্ভাবনা নেই বললেই চলে, বরং উল্টো বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। এর ফলে সোনার মতো সুদবিহীন সম্পদের ওপর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় জেপি মরগান ২০২৬ সালের জন্য সোনার গড় মূল্যের পূর্বাভাস কমিয়ে ৫ হাজার ২৪৩ ডলারে নামিয়েছে।
এদিকে দেশের বাজারে এখন প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার দামে বড় ধস