পুতিন-ট্রাম্প পরপর বৈঠকের পর বিশ্বমঞ্চের স্পটলাইটে শি জিনপিং

আপডেট : ২০ মে ২০২৬, ১০:৫০ পিএম

একঝাঁক করতালি দেওয়া শিশু, কড়া সামরিক গার্ড অব অনার, কামানের সালাম আর মার্চিং ব্যান্ড, সব মিলিয়ে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন–এর অভ্যর্থনা যেন ছিল এক বিশাল রাষ্ট্রীয় প্রদর্শনী, যা মাত্র কয়েকদিন আগের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর সফরের দৃশ্যকেও প্রায় আয়নার মতো প্রতিফলিত করেছে।

এই দুই উচ্চপর্যায়ের রাষ্ট্রীয় সফরের পরপর আয়োজনের মধ্য দিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বিশ্বকে এমন এক রাজনৈতিক বার্তা দিতে চেয়েছেন, সব পক্ষের সঙ্গে কথা, কিন্তু কারও সঙ্গে এককভাবে বাঁধা নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ধারাবাহিক কূটনৈতিক দৃশ্যপটের মাধ্যমে বেইজিং বোঝাতে চাইছে যে বৈশ্বিক শক্তির কেন্দ্র ধীরে ধীরে পশ্চিম থেকে সরে গিয়ে নতুন এক বাস্তবতায় প্রবেশ করছে, যেখানে চীন এখন শুধু দর্শক নয়, বরং সিদ্ধান্তের কেন্দ্রবিন্দু।

রাশিয়া–চীন সম্পর্ককে এখন অনেকেই 'অসম অংশীদারিত্ব' হিসেবে দেখছেন, যেখানে ইউক্রেন যুদ্ধ ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে মস্কো বেইজিংয়ের ওপর আরও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায়ও শি জিনপিং নিজেকে তুলনামূলক শক্ত অবস্থানে রাখতে সক্ষম হয়েছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তবে একই সঙ্গে প্রশ্নও উঠছে, বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত নিয়ে চীনের অবস্থান কতটা ভারসাম্যপূর্ণ। ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে নীরবতা, আবার মধ্যপ্রাচ্য সংকটে সক্রিয় আহ্বান, এই দ্বৈত অবস্থান বেইজিংয়ের কূটনৈতিক নিরপেক্ষতার ওপর চাপ তৈরি করছে বলে মত পর্যবেক্ষকদের।

AS
আরও পড়ুন