ইরান সঙ্গে চুক্তি নিয়ে নিজ দলেই তীব্র সমালোচনার মুখে ট্রাম্প

আপডেট : ২৪ মে ২০২৬, ১২:২১ পিএম

ইরানের সাথে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে কেন্দ্র করে নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির ভেতরেই তীব্র অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও সমালোচনার মুখে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ক্যাপিটল হিলের (মার্কিন সংসদ) এই তুমুল বিরোধিতার মাঝেই হোয়াইট হাউজ বোঝাতে চাইছে যে, এই চুক্তিটির মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আসলে যা চেয়েছিলেন, তাই হাসিল করতে পেরেছেন।

মূলত মার্কিন জনগণের কাছে এই যুদ্ধটি অত্যন্ত অজনপ্রিয় হয়ে ওঠা এবং সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা বা অ্যাপ্রুভাল রেটিং (Approval ratings) ক্রমাগত হ্রাস পাওয়ার কারণেই তিনি এই চুক্তিটিকে নিজের একটি বড় 'বিজয়' হিসেবে সাধারণ মানুষের সামনে উপস্থাপন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

হোয়াট হাউজের এই সমঝোতা প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে ক্যাপিটল হিলের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী রিপাবলিকান নেতা ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে ক্ষোভ ও বিরোধিতা প্রকাশ করেছেন।

এক রিপাবলিকান নেতা এই সম্ভাব্য চুক্তিকে একটি "মহাবিপর্যয়" হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তাঁর মতে, এই চুক্তি করা হলে মার্কিন সামরিক অভিযান 'অপারেশন এপিক ফিউরি'র মাধ্যমে এত দিন যা কিছু অর্জিত হয়েছে বা প্রেসিডেন্ট যা সফলতার দাবি করেছিলেন, তার সবকিছুই সম্পূর্ণ বৃথা বা ভেস্তে যাবে।

অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের প্রভাবশালী রিপাবলিকান সিনেটর টেড ক্রুজ ইরানের সাথে যেকোনো ধরনের চুক্তির তীব্র বিরোধিতা করেছেন। বিষয়টিকে একটি "স্তুল বা মস্ত বড় ভুল" বলে কড়া সমালোচনা করেছেন তিনি।

দলীয় নেতাদের এমন তীব্র বিরোধিতার মুখেও হোয়াইট হাউজ তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা একটি চূড়ান্ত সমঝোতার অত্যন্ত কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন।

হোয়াইট হাউজের দাবি, এই চুক্তির ফলে কেবল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিই সীমিত হবে না, বরং এর পাশাপাশি ইরানের ওপর থাকা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল বা প্রত্যাহার করা হবে, চলমান সব ধরনের বৈরিতা ও যুদ্ধাবস্থার অবসান ঘটবে এবং পরবর্তী স্থায়ী আলোচনার জন্য দীর্ঘ ৬০ দিন পর্যন্ত একটি উপযুক্ত পরিবেশ ও সময় পাওয়া যাবে। সূত্র: আল জাজিরা

YA
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত