ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তির উদ্যোগের মাঝেই হিজবুল্লাহ স্পষ্টভাবে এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। গোষ্ঠীটির দাবি, প্রস্তাবিত শর্তগুলো লেবাননের জন্য অপমানজনক এবং কার্যত ‘আত্মসমর্পণের’ শামিল।
হিজবুল্লাহর আলোচনায় অংশ না নেওয়া নেতা নাইম কাসেম বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বলেন, এই ‘কথিত যুদ্ধবিরতি’ আসলে হিজবুল্লাহকে যুদ্ধ বন্ধ করে দক্ষিণ সীমান্ত থেকে সরে যেতে বাধ্য করার চেষ্টা, যা ইসরায়েলের লক্ষ্য পূরণ করবে। বৈরুতের দাহিয়েহ এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারাও এটিকে শান্তি নয়, বরং একপাক্ষিক আত্মসমর্পণ হিসেবে দেখছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া এই আলোচনায় শর্ত দেওয়া হয়েছিল যে, হিজবুল্লাহ সদস্যদের ইসরায়েল সীমান্ত ও লিতানি নদীর মধ্যবর্তী প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে এবং সেখানে ‘পাইলট জোন’ তৈরি করে লেবাননের সেনাবাহিনী একক নিয়ন্ত্রণ নেবে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, হিজবুল্লাহ সম্পূর্ণ যুদ্ধ বন্ধ করলেই এটি কার্যকর হবে। তবে চুক্তিতে কোনো নির্দিষ্ট মানচিত্র বা বাস্তবায়নের বিস্তারিত ব্যাখ্যা ছিল না।
এদিকে নতুন করে এই উত্তেজনা ও হিজবুল্লাহর প্রত্যাখ্যানের মাঝেই বৈরুত ও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বর্তমানে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী অভিযান ও হামলা অব্যাহত রাখবে। ফলে শান্তি ফেরানোর এই উদ্যোগে আগামী ২২ জুন দুই দেশের প্রতিনিধিরা আবার বৈঠকে বসার কথা থাকলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির বাস্তবতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্র চাইলে এখনই ইরানের ইউরেনিয়াম নিতে পারে: ট্রাম্প