চীনের গুয়াংশি অঞ্চলে ভারী বর্ষণ ও ভয়াবহ বন্যার মাঝে যুক্ত হয়েছে এক নতুন আতঙ্ক। বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া ওই এলাকার লোকালয়ে এখন ভেসে বেড়াচ্ছে শত শত বিষধর সাপ।
প্রজনন খামার থেকে পালিয়ে যাওয়া এসব সাপের আতঙ্কে চরম উদ্বেগে দিন কাটছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। ইতোমধ্যে সাপের কামড়ে ওই এলাকায় এক নারীর মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এবং চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
লোকালয়ে ভেসে বেড়াচ্ছে ৯০০ সাপ
প্রতিবেদনে বলা হয়, গুয়াংশি অঞ্চলের বাণিজ্যিক খামারগুলো থেকে অন্তত ৯০০টি সাপ বন্যার পানিতে ভেসে লোকালয়ে চলে এসেছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতায় স্থানীয় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় (হাই অ্যালার্ট) থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া বেশ কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে, বন্যার পানিতে উরু সমান নিমজ্জিত হয়েই সাধারণ মানুষ ও উদ্ধারকারীরা জাল নিয়ে সাপ ধরার চেষ্টা করছেন।
বন্যাকবলিত এলাকার সড়ক, ঘরের চাল ও গাছের ডালে সাপগুলোকে আশ্রয় নিতে দেখা যাচ্ছে।
চীনে সাপ চাষের কেন্দ্র: চীনের গুয়াংশি অঞ্চলটি বাণিজ্যিক সাপ চাষের জন্য বিশ্ববিখ্যাত। ঐতিহ্যবাহী ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য এবং মাংসের জন্য এই অঞ্চলে প্রায় ৩ কোটি সাপ লালন-পালন করা হয়।
সাপের কামড়ে মৃত্যু ও চিকিৎসা সংকট
গুয়াংশি অঞ্চলের হেংঝু শহরে সাপের কামড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ভয়াবহ বন্যা এবং রাস্তাঘাট পুরোপুরি বন্ধ থাকায় সময়মতো তাকে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানায় স্থানীয় প্রশাসন।
চীনের গ্লোবাল টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, খামার থেকে পালিয়ে যাওয়া সাপের মধ্যে অত্যন্ত মারাত্মক ও বিষধর ‘কোবরা’ (গোখরা) প্রজাতিও রয়েছে।
সাপের কামড়ে আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিতে উপদ্রুত এলাকাগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী মেডিকেল ক্লিনিক ও অ্যান্টিভেনেরাম (সাপের বিষের প্রতিষেধক) মজুদ করা হয়েছে। সাপগুলো ধরার জন্য বিশেষ স্নাইপার ও রেসকিউ টিম মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রথমার্ধে ফরাসি দাপট, বুনু বীরত্বে গোলশূন্য বিরতি
এমবাপের পেনাল্টি ঠেকিয়ে দিলেন ইয়াসিন বুনু
ফ্রান্স-মরক্কো মহারণ শুরু
জন্মভূমির বিপক্ষেই নামছেন মরক্কোর ৬ তারকা