ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৭ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন ১ হাজার ২০০ জনের বেশি। এ ঘটনায় প্রায় ১৩ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
শনিবার (২২ আগস্ট) দেশটির কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কেউ নিখোঁজ নেই। তবে পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশে প্রায় ৪ হাজার ২০০টি আফটারশক হয়েছে।
ভূমিকম্পের পর হাজারো মানুষকে স্কুল, পুলিশ স্টেশন ও সরকারি কার্যালয়ে তৈরি অস্থায়ী আশ্রয়শিবিরে থাকতে হচ্ছে। দুর্যোগটি ২০২২ সালের পর ইন্দোনেশিয়ায় সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্পে পরিণত হয়েছে।
সাম্প্রতিক পরাঘাতগুলোর একটি ছিল ৫ দশমিক ৬ মাত্রার। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটের দিকে ফ্লোরেসের রুতেং শহরের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ওই কম্পন অনুভূত হয়।
দেশটির আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ওই কম্পনের উপকেন্দ্র রুতেং শহর থেকে প্রায় ৩৭ কিলোমিটার দূরে ছিল। ভূগর্ভে এর উৎপত্তিস্থল ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে।
২০২২ সালের পশ্চিম জাভার ভূমিকম্পে শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার পর এবারই ইন্দোনেশিয়ায় এত প্রাণহানির ঘটনা ঘটল।
কাতারে আটক ইরানি পাইলটদের চিকিৎসার আহ্বান
বিশ্ব রাজনীতিতে ক্ষমতার মানচিত্র বদলাচ্ছে: বাসিজ প্রধান