প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি

যুদ্ধের মধ্যে নির্বাচন ধ্বংস করবে ইউক্রেনকে

আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১২ এএম

রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা হলে ইউক্রেন ধ্বংসের মুখে পড়বে বলে সতর্ক করেছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এই সংকটময় পরিস্থিতিতে ভোট গ্রহণ ইউক্রেনীয়দের মধ্যে মারাত্মক সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভাজন তৈরি করতে পারে।

তিনি আরও জানান, তার মূল কৌশল হলো ইউক্রেনের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে যুদ্ধ সমাপ্তির দিকে এগিয়ে যাওয়া। আন্তর্জাতিক অংশীদারেরা পূর্ণ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে পারলে হয়তো নির্বাচন সম্ভব, তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে এমন প্রস্তাব পাওয়া যায়নি।

ইউক্রেনের বর্তমান আইন অনুযায়ী সামরিক শাসন বা যুদ্ধ চলাকালে নির্বাচন আয়োজন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিশ্লেষকদের মতে, লাখ লাখ নাগরিক বিদেশে আশ্রয় নেওয়ায়, বিশাল অংশ রুশ দখলে থাকা এলাকায় থাকায় এবং বিপুল সেনা ফ্রন্টলাইনে ব্যস্ত থাকায় সবার ভোট দেওয়া নিশ্চিত করা এক বিরাট চ্যালেঞ্জ।

সম্প্রতি কিয়েভ ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব সোসিওলজির এক জরিপে দেখা গেছে, ৫৭ শতাংশ ইউক্রেনীয় নাগরিক যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরই নির্বাচন আয়োজন চান। যদিও দেশের একাংশের মধ্যে নতুন রাজনৈতিক মুখ দেখার আগ্রহ রয়েছে, তবে তারা বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচনকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন।

সম্প্রতি ইউক্রেনের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ যুদ্ধকালীন নির্বাচনের দাবি তুলে নতুন আলোচনার জন্ম দেন। ২০২২ সালে রুশ আগ্রাসন শুরুর পর দেশটির প্রভাবশালী কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পক্ষ থেকে এমন দাবি এটাই প্রথম।

অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি দাবি করেছেন, সেপ্টেম্বর থেকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে নতুন করে ৩ লাখ সেনা নিয়োগের পরিকল্পনা করছেন ভ্লাদিমির পুতিন। আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে মোট ৫ লাখ নতুন সেনা সংগ্রহের এই সিদ্ধান্ত গোপনীয়তা বজায় রেখে বাস্তবায়ন করতে চায় মস্কো।

HN
আরও পড়ুন