আমেরিকার দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরানের মৌলিক জাতীয় নিরাপত্তা নীতিতে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ হয়েছে ওয়াশিংটন।
ওয়াশিংটন ভিত্তিক কোইনসি ইনস্টিটিউটের প্রধান ত্রিতা পার্সির মতে, অতীতের ইতিহাস ইঙ্গিত দেয় যে নতুন নিষেধাজ্ঞাগুলোও নিজ লক্ষ্য অর্জনে সফল হবে না।
১৯৭৯ সাল থেকে ইরান ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন মাত্রার অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হয়ে আসছে, যা দেশটিকে চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে। এসব কঠোর ব্যবস্থার কারণে ইরানের লাখ লাখ সাধারণ মানুষ মধ্যবিত্ত অবস্থান হারিয়ে দারিদ্র্যের মুখোমুখি হতে বাধ্য হয়েছেন।
ত্রিতা পার্সির মতে, শুধু অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে কূটনীতিতে জয়ী হওয়া সম্ভব নয়, বরং ইতিবাচক প্রণোদনা ও ছাড় দেওয়াই ইরানের ক্ষেত্রে কার্যকর হয়েছে।
যেমন, ২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি ভূখণ্ডে নির্দিষ্ট মাত্রায় পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণের অধিকার মেনে নেওয়ার পরেই কেবল তেজস্বী নমনীয়তা দেখিয়েছিল ইরান।
পরবর্তী সময়ে ২০১৫ সালে ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি (JCPOA) স্বাক্ষরিত হয়, যার মাধ্যমে পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছিল।
তবে ২০১৮ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে এই আন্তর্জাতিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসেন।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
মধ্যরাতে ৪৬ শিক্ষক বদলি : মতিঝিল আইডিয়ালে তোলপাড়
হরমুজে সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের