সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইনে হামলার ঘটনা শুধু দেশটির নিজস্ব সমস্যা নয়, বরং এটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্যও বড় ধরনের সংকট তৈরি করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক খালিদ বারতাফি।
আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিশ্লেষক খালিদ বারতাফি বলেন, এর পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ হতে পারে। কারণ, হামলার ফলে বিশ্ববাজার থেকে প্রতিদিন রপ্তানির জন্য প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে তিনি জানান, পাইপলাইনটির মূল কাঠামোয় সরাসরি হামলা হয়নি; বরং এটি পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বারতাফি বলেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ের মধ্যেই বোঝা যাবে, ঘটনাটি সীমিত একটি হামলা হিসেবে থেকে যাবে, নাকি এর মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের উত্তেজনা ও সংঘাত ছড়িয়ে পড়বে।
তিনি আরও বলেন, এখন শুধু ইরাকি সরকারের বক্তব্যের দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না; তারা বাস্তবে কী পদক্ষেপ নেয়, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সৌদি আরব হামলাটি কোথা থেকে পরিচালিত হয়েছে এবং কারা এর জন্য দায়ী, তা জানে বলেও তিনি দাবি করেন। এ বিষয়ে সৌদি আরব ইরাকের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্যও আদান-প্রদান করে বলে জানান তিনি।
বারতাফির ভাষায়, ‘এখন বল ইরাকের কোর্টে।’ তিনি সতর্ক করে বলেন, বিষয়টি শুধু সৌদি আরবের সমস্যা হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি শুধু সৌদির সমস্যা নয়, এটি গোটা বিশ্বের সমস্যা। কারণ, ইরান যদি একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি ও বাব আল-মান্দাব প্রণালি বন্ধ করে দিতে পারে, তাহলে তার প্রভাব সারা বিশ্বকেই বহন করতে হবে। তার মতে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
সূত্র: আল-জাজিরা
সৌদি আরবে হামলার নিন্দা ইরাকি স্পিকারের
ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে গর্ভবতী নারীর মৃত্যু