ট্রাম্পকে আয়ারল্যান্ডের বার্তা

যুদ্ধ ও গণহত্যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৬ এএম

বিশ্বজুড়ে সংঘাত ও সহিংসতার ভয়াবহতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আয়ারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ক্যাথরিন কনলি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে যুদ্ধ ও গণহত্যাকে স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে মেনে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। 

 

রাজধানী ডাবলিনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনি এই কড়া বার্তা তুলে ধরেন।

 

বৈঠক শেষে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে আইরিশ প্রেসিডেন্ট জানান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখা, জাতিসংঘের মূলনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা এবং ১৯৫৮ সাল থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে দেশের গৌরবময় অবদানের কথা তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে তুলে ধরেছেন। 

 

আয়ারল্যান্ডের সাধারণ মানুষের দৃঢ় অবস্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো অবস্থাতেই যুদ্ধ কিংবা মানবতাবিরোধী গণহত্যাকে বৈধতা দেওয়া যায় না।

 

আয়ারল্যান্ডের নিজস্ব ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে প্রেসিডেন্ট কনলি বলেন, তার দেশ দীর্ঘ সময় ধরে দুর্ভিক্ষ, উপনিবেশবাদ এবং ‘দ্য ট্রাবলস’ বা দীর্ঘ রাজনৈতিক সহিংসতার তিক্ত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছে। তবে একই সঙ্গে তারা শান্তির দীর্ঘ ও কঠিন পথ পাড়ি দেওয়ার গুরুত্বও গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছে। এই ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার কারণেই বিশ্বজুড়ে যেকোনো সংঘাত নিরসনে আইরিশ জনগণ এক অনন্য ও কার্যকর দৃষ্টিকোণ তুলে ধরতে সক্ষম বলে তিনি ট্রাম্পকে অবহিত করেন।

 

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান ভয়াবহ যুদ্ধ ও সহিংসতার কথা উল্লেখ করে তিনি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমানে যেখানেই অমানবিক সংঘাত চলছে, সেখানে একটি অংশীদারত্বমূলক টেকসই শান্তি গড়ে তোলার জন্য যারা সাহসের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন, আয়ারল্যান্ড সর্বদা তাদের পাশে থাকবে এবং সব ধরনের সমর্থন জানিয়ে যাবে।

 

সূত্র: আল-জাজিরা।

এইচএন
আরও পড়ুন