যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কাঠামোর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের প্রথম মন্ত্রীরা সোমবার কার্ডিফে এক হাই-প্রোফাইল বৈঠকে মিলিত হতে যাচ্ছেন।
দ্য টেলিগ্রাফ ও বার্তা সংস্থা আনদোলুর তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাজ্য থেকে বেরিয়ে যাওয়া এবং সাংবিধানিক পরিবর্তনের ইস্যুতে আলোচনা করবেন নেতারা। বৈঠকে স্কটল্যান্ডের জন সুইনি, ওয়েলসের রুন আপ আইওয়ার্থ এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের মিশেল ও’নিল অংশ নেবেন।
তিন দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে সম্পর্ক জোরদারে একটি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। এতে সিন ফেইনের প্রেসিডেন্ট মেরি লু ম্যাকডোনাল্ডের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
প্রস্তাবিত স্মারকে জোর দিয়ে বলা হচ্ছে, নিজ নিজ দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের পূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার এই তিন ভূখণ্ডের মানুষের রয়েছে। যা যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর সাংবিধানিক চাপ বাড়িয়ে তুলবে।
সম্প্রতি আয়ারল্যান্ডের পুনরেকত্রীকরণ ও স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতা আন্দোলন আবারও তীব্র রূপ নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একীভূত আয়ারল্যান্ডের পক্ষে প্রকাশ্যে সমর্থন ব্যক্ত করায় এই আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে।
১৯৯৮ সালের ঐতিহাসিক গুড ফ্রাইডে চুক্তি অনুসারে, উত্তর আয়ারল্যান্ডের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ চাইলে গণভোটের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে। রিপাবলিকান নেতারা এই সুযোগটিকেই কাজে লাগাতে চাইছেন।
স্কটল্যান্ডের প্রথম মন্ত্রী জন সুইনি জানান, ইতিহাস প্রথমবারের মতো এই তিন দেশে স্বাধীনতাপন্থী সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। ফলে কেন্দ্রীয় যুক্তরাজ্য কাঠামোর ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন বড় ধরনের পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক।
অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পক্ষে স্পষ্ট জনমত তৈরি না হওয়া পর্যন্ত নতুন গণভোটের প্রস্তাব সমর্থন করবে না লন্ডনের কেন্দ্রীয় সরকার।
তথ্যসূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ
হরমুজ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ব্যর্থ
মোখা-ধো বাবে হুতি বহরে ইয়েমেনের বিমান হামলা