গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ জানিয়েছেন, উপত্যকাজুড়ে প্রায় ২ হাজার ভবন ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সম্প্রতি ধসে পড়া ছয়তলা ভবনটি এর আগে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। পরে কাছাকাছি গোলাবর্ষণের আঘাতে ভবনটি ধসে পড়ে। এতে ভবনটির পাশাপাশি আশপাশের তাঁবুতে আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত মানুষও চাপা পড়েন।
আল-বুরশের ভাষ্য অনুযায়ী, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো প্রায় ১০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। স্বজনদের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৭৫ জনের বেশি মানুষের নাম নিবন্ধন করা হয়েছে, যাদের মধ্যে প্রায় ৫০ জন শিশু।
তিনি বলেন, গাজার প্রায় ২ হাজার ভবন একই ধরনের ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে।
‘আমরা সময়ের সঙ্গে এক নির্মম প্রতিযোগিতার মধ্যে আছি। প্রতিটি মিনিট মানে আরও একটি প্রাণ হারানোর ঝুঁকি,’ বলেন তিনি।
ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এখনো মানুষের সাহায্যের আবেদন শোনা যাচ্ছে বলেও জানান গাজার এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।
তবে উদ্ধারকাজ চালাতে গিয়ে বড় ধরনের সরঞ্জাম সংকটে পড়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। আল-বুরশ বলেন, কংক্রিটের ভারী ব্লক সরিয়ে আটকে পড়া মানুষদের কাছে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য সরঞ্জামের ঘাটতি রয়েছে।
ফলে ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধারে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করতে হচ্ছে উদ্ধারকারী দলগুলোকে।
ইয়েমেনে সহিংসতায় এক লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত: জাতিসংঘ
ইসরায়েলি হামলায় হামাসের রাফাহ ব্রিগেড কমান্ডার নিহত