ইরানজুড়ে চলমান ভয়াবহ সংঘাতের গত দুই সপ্তাহে নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পেন্টাগনের দেওয়া তথ্যমতে, এই অল্প সময়ের ব্যবধানে দেশটির অভ্যন্তরে ১৫ হাজারেরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। যুদ্ধের এই ভয়াবহতা থেকে রেহাই পায়নি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও। দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের মিনাব শহরে একটি বালিকা বিদ্যালয় মার্কিন হামলায় পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। অত্যন্ত মর্মান্তিক এই ঘটনায় স্কুলটির প্রায় ১৭৫ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে সামরিক সংঘাতের সমান্তরালে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও এর মারাত্মক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। পারস্য উপসাগরের তেলের প্রধান রুট এবং বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ 'হরমুজ প্রণালি' বর্তমানে কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দিন দিন আকাশচুম্বী হচ্ছে। তাদের হিসাব অনুযায়ী প্রতিদিন গড়ে প্রায় অর্ধ বিলিয়ন বা ৫০ কোটি ডলারেরও বেশি আর্থিক ক্ষতির বোঝা বাড়ছে। জীবনহানির পাশাপাশি এই বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহলে চরম উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা।
ইরান যুদ্ধে অন্তত ১৬টি বিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
