দক্ষিণ লেবাননের টাইর শহরের কাছে বোমায় বিধ্বস্ত কাসমিয়েহ সেতুর ধ্বংসস্তূপের পাশে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে বহু পরিবারকে, যারা ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে পথ পরিষ্কার হওয়ার অপেক্ষায় আছেন, যেন তারা আবার নিজেদের ঘরে ফিরতে পারেন।
এই পরিবারগুলোর কাছে ইসরায়েল ও লেবানন সরকারের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতি নতুন করে আশা জাগিয়েছে, দীর্ঘ অনিশ্চয়তা ও বাস্তুচ্যুতির পর তারা আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন।
৩৭ বছর বয়সী আমানি আত্রাশ জানান, তাদের অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন, এর মধ্যে রয়েছে গর্ব, স্বস্তি এবং দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এক ধরনের বিজয়ের অনুভব, যা তাদের ঘরে ফেরার আকাঙ্ক্ষাকে আরও গভীর করেছে।
অন্যদিকে রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ উপশহরের বাসিন্দা হুসেইন আমদার বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি তাকে এক ধরনের স্বস্তি দিয়েছে এবং তিনি আবার আগের মতো সামাজিক যোগাযোগ পুনরুদ্ধারের আশা করছেন।
তিনি বলেন, বন্ধু ও স্বজনরা আবার যোগাযোগ শুরু করেছেন, সবাই একত্রিত হওয়ার পরিকল্পনা করছেন, যেন যুদ্ধের আগের দিনগুলোর মতো স্বাভাবিক জীবন ও মিলনমেলার পরিবেশ ফিরে আসে।
যুদ্ধবিরতির এই ক্ষণস্থায়ী সুযোগকে কেন্দ্র করে বহু পরিবার ঘরে ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছে, যেখানে ভাঙা অবকাঠামো আর অনিশ্চয়তার মাঝেও নতুন করে বেঁচে ওঠার আকাঙ্ক্ষা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সূত্র: আলজাজিরা
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করলে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি হিজবুল্লাহর
যুদ্ধবিরতি মেনে হিজবুল্লাহকে শান্তির পথে আসার আহ্বান ট্রাম্পের
যুদ্ধবিরতিতে পূর্ণ সমর্থন ম্যাক্রোঁ'র, লঙ্ঘন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ