লেবাননে নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যুক্ত হতে আগ্রহী তুরস্ক

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৭:২১ পিএম

লেবাননে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী ইউনিফিল-এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর গঠিত হতে যাওয়া সম্ভাব্য নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থায় অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে তুরস্ক। আঙ্কারায় লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে বৈঠকের পর এ ঘোষণা দেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।

এরদোয়ান বলেন, ইউনিফিলের ম্যান্ডেট শেষ হওয়ার পর লেবাননের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনো নতুন আন্তর্জাতিক উদ্যোগে তুরস্ক অংশ নিতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে তিনি যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন ও লেবাননের সেনাবাহিনীকে সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতিও দেন।

গত বছর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে দক্ষিণ লেবাননে প্রায় পাঁচ দশক ধরে মোতায়েন থাকা ইউনিফিলের কার্যক্রম চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ছিল, ইউনিফিল হিজবুল্লাহর সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ঠেকাতে তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারেনি।

ইউনিফিলের বিকল্প বাহিনী কী ধরনের হবে বা সেটি জাতিসংঘের অধীনেই থাকবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ফ্রান্স ও ইতালিসহ কয়েকটি দেশও সম্ভাব্য নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থায় অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্কের এমন বাহিনীতে অংশগ্রহণের বিষয়টি ইসরায়েলের আপত্তির মুখে পড়তে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আঙ্কারা ও তেল আবিবের সম্পর্ক তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠায় এই ইস্যুতে নতুন কূটনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেন, আঞ্চলিক পুনর্গঠনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক আরও বিস্তৃত ও উচ্চপর্যায়ে নিয়ে যেতে চান তিনি। একই সঙ্গে সিরিয়া ও লেবাননের মধ্যে সংলাপ জোরদারের আহ্বান জানান এরদোয়ান। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

AS
আরও পড়ুন