নামাজই ইরানের সংগ্রামের শক্তির উৎস: মোজতবা খামেনি

আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম

বর্তমান সংগ্রামে ইরানি জাতির জিহাদ, বিজয় ও সাফল্যের মূল ভিত্তি নামাজ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা খামেনি। ৩৩তম জাতীয় নামাজ সম্মেলনে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মাশহাদে ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে অনুষ্ঠিত জাতীয় নামাজ সম্মেলনে মোজতবা খামেনির বার্তাটি পড়ে শোনানো হয়। এতে তিনি নামাজকে আল্লাহর অন্যতম সুন্দর ও মহান নেয়ামত এবং ধর্মের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান, প্রতীক ও স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, অসীম ঐশ্বরিক উৎসের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের যোগসূত্র হলো নামাজ। এটি মানুষের জন্য শক্তিশালী ও অবিচ্ছিন্ন সহায়তার পাশাপাশি অহংকার এবং পার্থিব প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে মোকাবিলার এক অফুরন্ত ভাণ্ডার। একই সঙ্গে নামাজ ভালোবাসা, আশা, দয়া ও প্রশান্তির উৎস বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মোজতবা খামেনি বলেন, নামাজ কেবল ব্যক্তিগত দায়িত্ব নয়। কোরআনের সেই আয়াতে বলা হয়েছে, সৎকর্মশীলরা পৃথিবীতে ক্ষমতা লাভ করলে নামাজ প্রতিষ্ঠা করে। এর মধ্য দিয়ে সংগ্রাম ও বিজয়ের ক্ষেত্রে নামাজ প্রতিষ্ঠার বিশেষ গুরুত্ব স্পষ্ট হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, বিশেষ করে বর্তমানে ইরানি জাতি যে সংগ্রামের মুখোমুখি, সেখানে নামাজের এই ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, ইরানের জনগণের হাতে এখন ক্ষমতায়নের সুযোগ আরও বেশি থাকায় আল্লাহর পক্ষ থেকে বারবার নামাজ প্রতিষ্ঠার যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তা দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য প্রযোজ্য। এ ক্ষেত্রে সমাজের প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের দায়িত্বও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মোজতবা খামেনি বলেন, বাবা-মা ও পরিবার থেকে শিক্ষক ও বন্ধু, অধ্যাপক ও বুদ্ধিজীবী থেকে শুরু করে পরিচিত ব্যক্তিত্ব, সমাজের সব প্রভাবশালী মহল এবং সংস্কৃতি নির্মাণে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নামাজ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে দ্বিগুণ দায়িত্ব রয়েছে।

বার্তার শেষাংশে ইরানি জাতি ও দেশ যাতে নামাজ প্রতিষ্ঠা এবং এর অনুগ্রহ ও আশীর্বাদ থেকে উপকৃত হতে পারে, সে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। এ ক্ষেত্রে ঐশ্বরিক অনুগ্রহ এবং ইমাম মাহদির প্রার্থনা ও আশীর্বায়ের কথা উল্লেখ করেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। সূত্র: মেহর নিউজ এজেন্সি

এএস
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত