ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।
শনিবার (১৪ জুন) বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের মুখপাত্র লিসা ডাইভারের বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, বিমানবন্দরটি কবে বা কোন দিনে আবার চালু হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
এদিকে লেবানন, জর্দানসহ ওই অঞ্চলের অন্যান্য দেশ আজ শনিবার থেকে তাদের আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিচ্ছে বলে জানিয়েছে।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে ইরানের ওপর ইসরায়েলি হামলার জবাব শেষ হয়নি। বরং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের হামলা চলবে।
ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে ইরান ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোও লক্ষ্যবস্তু করতে পারে।
এর আগে, শুক্রবার ভোরের দিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বিমান ও ড্রোন ব্যবহার করে ইরানের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। এই হামলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানসহ পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্তত ৯ বিজ্ঞানী নিহত হয়েছেন।
শনিবার ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের পরমাণু প্রকল্পে যুক্ত ৯ জন শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।
অন্যদিকে, জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ইরানে কমপক্ষে ৭৮ জন নিহত ও ৩২০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
ইসলায়েলি হামলার প্রতিশোধে ইসরায়েলের বাণিজ্যিক রাজধানী তেল আবিবসহ গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য শহেরে ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আঘাতে জেরুজালেম ও তেল আবিবের বেশ কিছু স্থাপনা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ইরানি হামলায় ইসরায়েলে অন্তত তিনজন নিহত ও আরও কয়েক ডজন আহত হয়েছেন।
ইসরায়েলের তেল আবিব, জেরুজালেমসহ বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। রিশন লেজিওন ও আশপাশের এলাকায় মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছে। জরুরি উদ্ধারকারী বাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।
