ট্রাম্পের একের পর এক আল্টিমেটাম, মেয়াদ যেন শেষই হচ্ছে না!

আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৭ পিএম

ইরান যুদ্ধের শুরু থেকেই একের পর এক আল্টিমেটাম দিয়ে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই সময়সীমার খেলায় প্রতিবারই নতুন করে ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছেন তিনি। সর্বশেষ তিনি নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত ৮টার মধ্যেই পরিস্থিতির নিষ্পত্তি দেখতে চান, নইলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

যুদ্ধের শুরু থেকেই ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমা ও আল্টিমেটাম বারবার বদলেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে। ২১ মার্চ তিনি প্রথম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি না খুললে ইরানের বড় বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র 'ধ্বংস করে দেওয়া হবে', এবং তা শুরু হবে সবচেয়ে বড় স্থাপনাগুলো দিয়ে। এই ঘোষণার মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে তার আক্রমণাত্মক অবস্থান।

তবে মাত্র দুই দিন পরই সুর কিছুটা নরম করে ট্রাম্প জানান, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে 'খুব ভালো ও ফলপ্রসূ আলোচনা' চলছে। এর জেরে তিনি বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলার পরিকল্পনা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখেন। এই পরিবর্তন তখন কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিত দিলেও তা স্থায়ী হয়নি।

এরপর ২৭ মার্চ ট্রাম্প আবার সময়সীমা বাড়িয়ে দেন। তিনি দাবি করেন, ইরান সরকারের অনুরোধে আরও ১০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে, ফলে নতুন ডেডলাইন দাঁড়ায় ৬ এপ্রিল। কিন্তু সময় যত এগিয়েছে, ততই তার বক্তব্যে ফিরে এসেছে কঠোরতা।

৬ এপ্রিলের ডেডলাইন ঘনিয়ে আসার মুখে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) তিনি আবারও ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন। এবার আরও কড়া ভাষায় সতর্ক করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রণালি না খুললে 'পুরো নরক নেমে আসবে।'

সবশেষে রোববার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া একাধিক পোস্টে ট্রাম্প আবারও হুমকি জোরদার করেন। তিনি মঙ্গলবারকে (৭ এপ্রিল) 'পাওয়ার প্লান্ট ডে” ও 'ব্রিজ ডে' হিসেবে উল্লেখ করে ইঙ্গিত দেন, সেদিনই ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা হতে পারে। পরে আরেক পোস্টে তিনি নির্দিষ্ট সময়ও বেঁধে দেন, মঙ্গলবার রাত ৮টা। সূত্র: বিবিসি

AS
আরও পড়ুন