ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইরান শান্তি আলোচনায় পারমাণবিক বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্তির ওপর জোর দিয়েছে, সতর্ক করে বলেছে, এটি না হলে সম্ভাব্য চুক্তি দুর্বল হয়ে উঠতে পারে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা আরও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
ইইউর পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কায়া কাল্লাস সাইপ্রাসে ইইউ নেতাদের এক বৈঠকে বলেন, আলোচনায় যদি পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কথা হলেও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত না থাকেন, তাহলে চুক্তির মান ২০১৫ সালের 'জয়েন্ট কম্প্রেহেন্সিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন' এর চেয়েও দুর্বল হতে পারে।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এতে কেবল পারমাণবিক ইস্যুই নয়, বরং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন এবং ইউরোপে সাইবার ও হাইব্রিড কার্যক্রমের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উপেক্ষিত থেকে যেতে পারে। এর ফলে ভবিষ্যতে ইরানকে ঘিরে হুমকি আরও জটিল ও বিপজ্জনক রূপ নিতে পারে।
২০১৫ সালের ওই চুক্তির আওতায় ইরান তার সংবেদনশীল পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত করতে সম্মত হয়েছিল এবং আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দিয়েছিল। বিনিময়ে দেশটির ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়। তবে পরে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রকে সেই চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেন।
কায়া কাল্লাস আরও বলেন, একটি টেকসই ও কার্যকর চুক্তি নিশ্চিত করতে হলে শুধু রাজনৈতিক আলোচনা নয়, বরং প্রযুক্তিগত বাস্তবতাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। অন্যথায় এমন একটি সমঝোতা তৈরি হতে পারে, যা সাময়িকভাবে পরিস্থিতি শান্ত রাখলেও দীর্ঘমেয়াদে নতুন সংকটের বীজ বপন করবে। সূত্র: বিবিসি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আলোচনায় ফেরার আহ্বান পোপ লিও চতুর্দশের
ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা নাকচ করলেন ট্রাম্প
মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে ২.৩ বিলিয়ন ডলারের মামলা