৩ কিশোরীর আত্মহত্যা নিয়ে নতুন রহস্য!

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:২৮ পিএম

ভারতের গাজিয়াবাদে নয় তলা থেকে লাফিয়ে তিন কিশোরী বোনের আত্মহত্যার ঘটনায় বেরিয়ে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। দেশটির পুলিশ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন তথ্য জানতে পেরেছে বলে একাধিক ভারতীয় মিডিয়ার খবরে বলা হয়েছে। 

রিপোর্ট, ওই তিন কিশোরীর বাবা চেতন কুমারের নাম ২০১৫ সালে একটি আত্মহত্যার ঘটনায় সম্পৃক্ত ছিল। এমন তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরে কিশোরীদের মৃত্যু নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন। 

পুলিশ সূত্রের খবর, প্রায় ১১ বছর আগে আত্মঘাতী হয়েছিলেন চেতনের লিভ-ইন পার্টনার। ওই তিন কিশোরীর মৃত্যুর সঙ্গে চেতনের লিভ-ইন পার্টনারের আত্মহত্যার কোনো যোগ রয়েছে কিনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

পুলিশ জানিয়েছে, ২০১৫ সালে শাহিবাবাদ পুলিশ স্টেশনের অন্তর্গত রাজেন্দ্র নগর কলোনিতে ফ্ল্যাটের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেন চেতনের তৎকালীন লিভ-ইন পার্টনার। তদন্তের পরে সেই মৃত্যু আত্মহত্যা ছিল বলে নিশ্চিত করেছিল পুলিশ। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, চেতনের জীবন বেশ রঙিন ছিল। তার তিন স্ত্রী। তিনজনেই তারা সম্পর্কে বোন। যে তিন কিশোরী আত্মহত্যা করেছে তাদের মধ্যে একজন এক বোনের, অন্য দুইজন অন্য বোনের সন্তান।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ব্যবসায়ী চেতনের বহু টাকা দেনা হয়। বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করতে তিনি তিন মেয়ের মোবাইল বিক্রি করেছিলেন।

সেইসঙ্গে চেতনের মেয়েরা কোরিয়ান ড্রামায় ব্যাপকভাবে আসক্ত ছিল, এসব ড্রামা তারা স্মার্ট ফোনে দেখতো। গত ৪ ফেব্রুয়ারি তিনবোন নিজেদের আবাসনের ছাদ থেকে লাফ দেয়।   

দেশটির পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, ঘটনার দিন মায়ের থেকে মোবাইল ফোন চেয়েছিল ওই তিন কিশোরী। কিন্তু সেই ফোনে কোরিয়ান ড্রামা দেখা যায়নি। তাদের বাবা মোবাইল কেড়ে নেওয়ার কারণেই কী তারা ছাদ থেকে লাফ দিয়েছে? নাকি নেপথ্যে অন্যকিছু? এনিয়ে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে।  

এখন পর্যন্ত পাওয়া তদন্তে বলা হয়েছে, ওই তিন কিশোরীর সঙ্গে মায়েদের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না। বরং চেতনের ঘনিষ্ঠ ছিল তারা।

AHA
আরও পড়ুন