থাইল্যান্ডের ননথাবুরি প্রদেশের একটি স্কুলে এক সশস্ত্র কিশোরের গুলিবর্ষণে ৬ জন নিহত হয়েছেন। ভয়াবহ এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন শিক্ষার্থী।
দেশটির উপ-অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী পোলাপি সুওয়ানচভি স্থানীয় সংবাদমাধ্যম থাই পিবিএস-কে এই হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় গণমাধ্যম ও প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, হামলাকারী ওই স্কুলেই পড়ুয়া এক কিশোর শিক্ষার্থী। ঘটনার পর বন্দুকধারী কিশোরের মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে পুলিশের গুলিতে সে মারা গেছে নাকি আত্নহত্যা করেছে, তা জানা যায়নি।
এমন ন্যক্কারজনক ঘটনায় স্তম্ভিত দেশটির সরকার। ব্যাংককের গভর্মেন্ট হাউসে এক প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এটি এক ভয়াবহ ট্র্যাজেডি। আমাদের দেশে এমন ঘটনা কোনোভাবেই ঘটা উচিত হয়নি।
অভিযুক্ত কিশোরের কাছে পিস্তল কীভাবে এল, সে বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপ-অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী। প্রকাশ পাওয়া ছবিতে দেখা যায়, হামলাকারী কিশোর স্কুলের বেগুনি পোশাক পরিহিত ছিল এবং তার কাছে একটি কালো ব্যাগ ছিল।
থাইল্যান্ডে প্রায় এক কোটি বৈধ-অবৈধ অস্ত্র সাধারণ মানুষের হাতে রয়েছে, যা প্রতি সাতজনে একজনের সমান। অস্ত্র আইন কঠোর করার একাধিক প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও দেশটিতে প্রায়ই এমন মর্মান্তিক গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে।
এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণাঞ্চলের একটি স্কুলে একই রকম এক ঘটনায় প্রধান শিক্ষক নিহত হন এবং ২০২২ সালে একটি শিশুদিবাযত্ন কেন্দ্রে সাবেক এক পুলিশ কর্মকর্তার নৃশংস হামলায় ২৪ শিশুসহ ৩৬ জন প্রাণ হারান।
সূত্র: বিবিসি, ফ্রান্স24
যে ঐতিহাসিক বৈঠকটি হয়েছিল অন্ধকার কক্ষে!
হরমুজ নিয়ে ইরান-ওমানের চুক্তি মানবেন না ট্রাম্প: বিশ্লেষক
মোদি-নেতানিয়াহুর ফোনালাপ, যা কথা হলো