ভারতে গঙ্গা নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকায় বিহারে চরম বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই দুর্যোগ সামাল দিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। এ সময় তিনি ফারাক্কা বাঁধের সবকটি গেইট অবিলম্বে খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানান।
রোববার (২৩ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় এই ফোনালাপের কথা জানান বিহারের মুখ্যমন্ত্রী।
তিনি উল্লেখ করেন, ফারাক্কার সবকটি গেইট উম্মুক্ত করে দিলে জমে থাকা পানি দ্রুত সরে যাবে এবং বিহারের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
এক্স পোস্টে সম্রাট চৌধুরী লেখেন, গঙ্গার পানি বৃদ্ধি এবং বিহারের বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সাথে ফোনে কথা বলেছি। গঙ্গার স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বজায় রাখতে ফারাক্কা বাঁধের সবগুলো গেইট খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছি।
তিনি আরও জানান, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা দিয়েছেন। বর্তমানে বন্যার হাত থেকে বিহারের মানুষকে রক্ষা করা এবং ত্রাণ পৌঁছানোই তাদের সরকারের প্রধান কাজ।
এদিকে ফারাক্কা বাঁধের সব গেইট খুলে দেওয়া হলে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে। সাধারণত উজান থেকে অতিরিক্ত পানি এলে বাঁধের নিরাপত্তার স্বার্থেই ফারাক্কার সব গেইট একযোগে খুলে দেওয়া হয়।
ফারাক্কার গেইট গুলো খুলে দিলে ভারতের গঙ্গা নদী হয়ে অতিরিক্ত পানি সরাসরি বাংলাদেশে প্রবেশ করবে, যা বাংলাদেশে পদ্মা নদী নামে প্রবাহিত। এতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, কুষ্টিয়া ও শরীয়তপুরের নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল দ্রুত প্লাবিত হতে পারে। পদ্মায় পানি বাড়লে শাখা নদী- গড়াই, মধুমতি ও আড়িয়াল খাঁতেও পানি জমে নতুন করে বন্যা ও তীব্র নদীভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়।
সূত্র: এএনআই
ফিলিস্তিনি বৃদ্ধকে মারধর, ২ ইসরায়েলি তরুণ আটক
নারী-শিশু নির্যাতনে ৭ মাসে ১২ হাজার ৪৪৬ মামলা